স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ ১৫ বছর বিরতির পর শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে এ পরীক্ষা চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সূচি অনুযায়ী, চার দিনে চারটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিন বাংলা, দ্বিতীয় দিন ইংরেজি, তৃতীয় দিন প্রাথমিক গণিত এবং শেষ দিন বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তবে পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ভিন্ন সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি (কিন্ডারগার্টেন) শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, গত বছর শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল। তবে বেসরকারি শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত না করায় বিষয়টি আদালতে গড়ায়। পরে আদালতের নির্দেশনা ও সমঅধিকারের ভিত্তিতে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তিতে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি বণ্টন করা হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পঞ্চম শ্রেণির সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দীর্ঘদিন পর পুনরায় চালু হওয়া এই বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।