রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি’র সাবেক চেয়ারম্যান সালমান ফজলুর রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো গ্রুপ সংশ্লিষ্ট সাত হাজার কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আদালতের নির্দেশনায় এসব সম্পদ বর্তমানে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের আওতায় রয়েছে। দুদকের নেতৃত্বাধীন জাতীয় টাস্কফোর্সের অধীনে এখন পর্যন্ত মোট ২৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে দুদক ১১টি এবং সিআইডি ১৭টি মামলা করেছে। এসব মামলার বিপরীতে আদালতের নির্দেশনায় সম্পদগুলো ফ্রিজ রাখা হয়েছে। দুদক ও আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ফ্রিজ হওয়া সম্পদের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের। এ ইউনিটের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, আদালতের নির্দেশনায় যেসব সম্পদ ক্রোক বা অবরুদ্ধ করা হয়, আমাদের ইউনিট থেকে কমিশনকে তা অবগত করা প্রাথমিক কাজ। এছাড়া, আমাদের সহায়তায় অনুসন্ধান বা তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের আদেশের বিষয়টি জানিয়ে থাকেন। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জব্দ করা কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর না হয় তা নিশ্চিত করা।
জব্দ হওয়া সম্পদের বিবরণ
জাতীয় টাস্কফোর্সের অধীনে যৌথ টিমের করা মামলার বিপরীতে আদালতের আদেশে ফ্রিজ হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে— ১০৭টি বিও অ্যাকাউন্টে ৬৭.৫৫ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা। ৯৪টি কোম্পানির শতভাগ শেয়ার। এছাড়া, ১৯৭০.৪৬৭ শতাংশ জমি (আনুমানিক মূল্য ১১.৯৩ কোটি টাকা) এবং লন্ডনে দুটি ফ্ল্যাট (আনুমানিক মূল্য ৭.৭৫ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বা প্রায় ১২৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা)।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন