| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মমতা পদত্যাগ না করলে একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গে

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৭, ২০২৬ ইং | ১১:৩৭:২৬:পূর্বাহ্ন  |  ১৪৬৪ বার পঠিত
মমতা পদত্যাগ না করলে একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গে
ছবির ক্যাপশন: ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয়ের পরেও একে ‘পরাজয়’ বলে মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং সেই কারণে তিনি লোকভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে পদত্যাগ করবেন না বলে ঘোষণা করেছেন। অথচ, বৃহস্পতিবার(৭ মে) রাত ১২টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে তার সরকারের মেয়াদ। তারপরে কী হবে? কারণ, বিজেপি নেতৃত্ব ঠিক করেছেন, আগামী ৯ মে, শনিবার রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর দিন তাদের মন্ত্রীরা শপথ নেবেন।

 শেষমেশ তৃণমূলনেত্রী তার অবস্থানে অনড় থাকলে কাল, শুক্রবার মাঝের ২৪ ঘণ্টা ব্যতিক্রমীভাবে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে এমনটাই মত প্রবীণ আইনজ্ঞদের। প্রবীণ রাজনীতিক থেকে শুরু করে আইন বিশ্লেষকরা অনেকেই গোটা দেশে এর কোনও পূর্ব নজিরের কথা সাম্প্রতিক অতীতে মনে করতে পারছেন না।

সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময়ে শাসকদল তাদের পরাজয় নিশ্চিত জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগ করে আসেন। সংসদীয় রাজনীতিতে এটা একটা সাংবিধানিক সৌজন্যর প্রকাশ। রাজ্যপাল তখন নতুন সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ জানান। নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার আগে তিনিই কাজ চালান। কিন্তু কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রেও একই রীতি প্রচলিত। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের মেয়াদ ফুরিয়েছে বুধবারই। সেখানেও নতুন সরকার এখনও শপথ নেয়নি। তবে পশ্চিমবঙ্গে সঙ্গে তামিলনাড়ুর ফারাক আছে। কারণ, পরাজয়ের পরে স্ট্যালিন এবং তার সরকার পদত্যাগ করেছেন। রাজ্যপাল স্ট্যালিনকেই কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব দিয়েছেন। বাংলায় সেটা হলো না।

সংবিধান অনুযায়ী, রাজ্যপালের ‘সদিচ্ছায়’ একটা রাজ্য সরকার গঠিত হয়। আইন মেনে আজ, বৃহস্পতিবার, ৭ মে রাত ১২টা ১ মিনিটে বর্তমান সরকারে মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এর পরে এক মিনিটও বিদায়ী সরকার থাকতে পারে না। ফলে তখন থেকে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে।

 রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বুধবারই ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচিত বিধায়কদের গেজেট নোটিফিকেশন রাজ্যপালের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই তালিকার ভিত্তিতে রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলকে সরকার গড়ার জন্য ডেকে তাদের নেতা বা মুখ্যমন্ত্রীর নাম জানতে চাইবেন। সরকারিভাবে কবে শপথ নিতে চায়, তাও জানবেন। এক্ষেত্রে অবশ্য ৯ মে শপথ নেবে বলে ঘোষণা করেছে বিজেপি।

বর্ষীয়ান আইনজীবী হরিশ সালভে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা দাবি করতে পারেন ৭ মে। ওই দিন বিধানসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। রাজ্যপালের নির্দেশ মতো তিনি পদত্যাগ করলে পরবর্তী সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত তাকে কেয়ারটেকার সিএম হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কথা বলতে পারেন রাজ্যপাল। সেটা হলে সামান্য সময়ের জন্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হতে পারে।

সূত্র: এই সময় অনলাইন

রিপোর্টার্স২৪/ এম এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪