| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে বিজিবি-বিএসএফ

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০১, ২০২৬ ইং | ১৬:৩৯:০২:অপরাহ্ন  |  ৫৬৫ বার পঠিত
নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে বিজিবি-বিএসএফ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:  সীমান্তে উত্তেজনা, ‘পুশইন’ অভিযোগ, অনুপ্রবেশ রোধ এবং কাঁটাতার নির্মাণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আগামী সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

এমন এক সময়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন সীমান্তে কথিত অবৈধ ও নথিবিহীন বাংলাদেশিদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ বাড়ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বিএসএফ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীন কুমার।

সূত্রগুলোর মতে, বৈঠকে সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, সীমান্ত অপরাধ দমন, অবৈধ অভিবাসন এবং দুই বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

সম্প্রতি ভারত সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে। বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও আটক করার উদ্যোগও বাড়ানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য বিশেষ হোল্ডিং সেন্টারও চালু করা হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত। প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্তের প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁটাতারবিহীন রয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় ১৭৪ কিলোমিটার এলাকায় ভৌগোলিক ও অন্যান্য বাস্তব কারণে কাঁটাতার নির্মাণ সম্ভব নয়। ফলে এসব এলাকায় নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা নয়, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটেও এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তে উদ্ভূত বিভিন্ন ইস্যু, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতে এই বৈঠক কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

বিএসএফ কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিই হবে বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

সূত্র : পিটিআই


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪