| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

স্বস্তি নেই বাজারে, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ-মুরগি-সবজি

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৬, ২০২৬ ইং | ১২:৫৪:২০:অপরাহ্ন  |  ৯৪১ বার পঠিত
স্বস্তি নেই বাজারে, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ-মুরগি-সবজি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এখনো স্বস্তির দেখা মিলছে না। সপ্তাহের ব্যবধানে দামে বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও মাছ, মুরগি ও সবজির উচ্চমূল্য ক্রেতাদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজারের ব্যয় সামাল দেওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও রাজধানীর বাজারগুলোতে একই চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর উত্তরা সমবায় বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুরগির দাম আগের সপ্তাহের মতোই উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, সোনালী ৩০০ টাকা, লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী কামাল হাসান বলেন, মাসের বাজেট মেলানো এখন খুব কঠিন। আগে সপ্তাহে এক-দুদিন ভালো মাছ বা মাংস কিনতে পারতাম, এখন প্রতিটি জিনিস হিসাব করে কিনতে হচ্ছে। মুরগিও আর আগের মতো সাশ্রয়ী নেই।

তবে গরু ও খাসির মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসি ও ছাগলের মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দামের চাপ কমেনি। বিশেষ করে ইলিশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। আকারভেদে ইলিশ মাছ কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা সোহেল হোসেন বলেন, মৌসুমে মাছের সরবরাহ মোটামুটি ভালো থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা ইলিশ কিনতে পারছেন না। যারা কিনছেন, তারাও ছোট আকারের ইলিশেই সীমাবদ্ধ থাকছেন।

বাজারে পাঙ্গাস মাছ কেজিপ্রতি ২০০ টাকা, বড় রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, কাতলা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ছোট কাঁচকি মাছ ৩০০ টাকা, মলা মাছ ২৮০ টাকা, বড় সাইজের সুরমা মাছ ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির বাজারেও নেই স্বস্তি। অধিকাংশ সবজির দাম এখনো ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। গোলআলু, টমেটো, গোল ও লম্বা বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, ফুলকপি, বরবটি, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, কচুর লতি, ঢেঁড়শ ও বিভিন্ন ধরনের শাকের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে।

সবজি বিক্রেতা মো.সোলেমন বলেন, পাইকারি বাজারে দাম কমেনি। তাই খুচরা পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করার সুযোগও নেই।

বর্তমানে ঢেঁড়শ, পটল, ঝিঙ্গা, করলা ও চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচকলা প্রতি হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা এবং শিম ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে মোটা চাল, খোলা সয়াবিন তেল, আমদানি করা রসুন, হলুদ, আদা, ব্রয়লার মুরগি, বেগুন, আলু, দেশি পেঁয়াজ, দেশি রসুন, কাঁচামরিচ ও শসার দাম বেড়েছে। তবে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪