টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের এডিবির অতিরিক্ত বরাদ্দের ৪৫ লাখ টাকা কোন কাজ না করেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন ওই টাকা উত্তোলন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীর যৌথ হিসাবে স্থানান্তরের কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন জুন মাসে টাকা উত্তোলন না করলে ওই টাকা সরকারি তহবিলে ফেরত যেত এবং কালিহাতির উন্নয়ন ব্যাহত হত।কালিহাতির উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে তিনি ওই প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করেছেন।
জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী যৌথভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৪৫ লক্ষ টাকার ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন করে।
প্রকল্পগুলো হলো, কালিহাতী উপজেলা পরিষদ চত্বরের অভ্যন্তরীণ মেরামত (১) ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৩৮টাকা, কালিহাতী উপজেলা পরিষদ চত্তরের অভ্যন্তরীণ মেরামত (২) ৫ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫৯৮টাকা, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের ০২ নং ভবন মেরামত ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ২১০ টাকা, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের ০৪ নং ভবন মেরামত ৪লাখ ১৬ হাজার ৮৯৫ টাকা, কালিহাতী উপজেলা পরিষদ হল রুম মেরামত ও সংস্কার ৯ লাখ ২ হাজার ৪০৬ টাকা এবং কালিহাতী উপজেলা পরিষদ গোডাউন মেরামত ৪ লাখ ৬ হাজার ৫৪৭ টাকা।
পরে এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন তড়িঘড়ি করে কিছু কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের তেমন কোনো সফলতা স্থানীয়দের নজরে আসেনি। স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা উপজেলা প্রশাসন ওই প্রকল্পের কাজ না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের পায়তারা করছিলেন। বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে আসায় প্রশাসনের সেই আকাঙ্ক্ষা ভেস্ত যায়। পরে ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে প্রকল্প গুলোর আংশিক সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তাার জানান, এসব প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করা হয়নি। বিষয়ে কিছু জানার থাকলে তিনি তার অফিসে যেতে বলেন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব