| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরান মিশন অসম্পূর্ণ রেখেই ফিরে যাচ্ছে আব্রাহাম লিংকন

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১৫, ২০২৬ ইং | ২২:১২:১৫:অপরাহ্ন  |  ১২৭৫৯ বার পঠিত
ইরান মিশন অসম্পূর্ণ রেখেই ফিরে যাচ্ছে আব্রাহাম লিংকন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় টানা ২০০ দিনের বেশি রণক্ষেত্রে কাটানোর পর অবশেষে নিজ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হতে যাচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’। টানা ২৬৬ দিন মোতায়েন থাকা এই রণতরীটির দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলসহ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। 

বিশেষ করে টানা সামরিক অভিযানের ফলে জাহাজে থাকা হাজার হাজার নাবিক ও সামরিক কর্মীদের মানসিক চাপ, নিম্ন মনোবল এবং সার্বিক কল্যাণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ও ক্রুদের পরিবারবর্গ। 

তবে এসব উদ্বেগের মাঝেই মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও নিশ্চিত করেছেন যে, নিয়মিত সেনাবদল প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শিগগিরই জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে।

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটিকে পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে পুনঃমোতায়েন করা হয়। ইরান সংঘাত বর্তমানে ষষ্ঠ মাসে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ আড়াইশ দিনেরও বেশি সময় সমুদ্রসীমায় অবস্থান করা এই রণতরীটি বিগত ২০০ দিনের মধ্যে কোনো বন্দরে ভিড়তে বা বিরতি নেওয়ার সুযোগ পায়নি। এই দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন যুদ্ধকালীন অবস্থান ক্রুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক ক্লান্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

অভিযানকালে মার্কিন সেনাসদস্যরা চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। চরম নিরাপত্তার স্বার্থে এবং থ্রেট লেভেল থাকায় অনেক সময় ক্রুদের স্বজনদের সাথে যোগাযোগ বা ফোনে কথা বলার সুযোগও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। 

এছাড়া সমুদ্রে দীর্ঘদিন অবস্থানের কারণে রসদের স্বাভাবিক সরবরাহ বিঘ্নিত হলে নাবিকদের নিয়মিত খাবারের তালিকায় পর্যন্ত পরিবর্তন আনতে হয়। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে এই রণতরী থেকে এক নাবিক সমুদ্রে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। যদিও তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়, তবে ঘটনাটির বিস্তারিত এবং নাবিকের বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও স্বীকার করেছেন যে, রণক্ষেত্রের এই দীর্ঘ অবস্থান ক্রুদের মানসিক ও শারীরিকভাবে চরম সীমানায় পৌঁছে দিয়েছিল। অভিযান চলাকালে কয়েকজন সেনাকে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চিকিৎসা দেওয়া হলেও এ সময় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মার্কিন সেনাদের অটল মনোবলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ক্রুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম পরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেলেও তাদের মনোবল ভেঙে পড়েনি। সূত্র: খালিজ টাইমস 

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪