ইন্টরেন্যাশনাল ডেস্ক: নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৩৩২ জন মানুষ মারা গেছেন। আরও অনেকে নিখোঁজ আছেন। ঠিক এমন সময়ে বিবিসি জানিয়েছে আরও বড় শঙ্কার কথা।
দেশটির ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ডিজাস্টার স্টাডিজের পরিচালক বসন্ত রাজ অধিকারী বলেছেন, আজ অথবা আগামীকাল বন্যার ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানার ঝুঁকি রয়েছে। কখন আঘাত হানতে পারে, তা জানি না।
চীন থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এমন সহকর্মীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে নেপাল। রাজ অধিকারী বলেন, আপাতত ভারী বৃষ্টিপাত নেই, কিন্তু ভূমিধস ঘটতে পারে।
তার মতে, হিমালয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক ঝুঁকিগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। এখানে জলবায়ু পরিবর্তন সত্যিই ঘটছে। এই দুর্ঘটনার কথাও অনুমান করা গিয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন দিনে এমনটি ঘটবে, তা জানতেন না তারা।
প্রাথমিকভাবে নেপালের এ প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ভূমিকম্পের মাধ্যমে সৃষ্ট বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকেই এই ভয়াবহ জলস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে।
ভয়াবহ স্রোত দেশটির রাসুয়াসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার পর ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব