| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দাগনভূঞায় বস্তায় আদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ইং | ২২:৩১:২১:অপরাহ্ন  |  ৩৭৮২ বার পঠিত
দাগনভূঞায় বস্তায় আদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: দাগনভূঞায় বাণিজ্যিকভাবে বস্তায় আদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। বাড়ির আঙিনা, বাড়ির ছাদ, অনাবাদি ও পতিত জমিসহ বিভিন্ন জায়গায় বস্তায় মাটি ভরে কিংবা টবে আদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। তা দেখে আরও অনেকের আগ্রহ বাড়ছে বস্তায় আদা চাষের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চৈত্র থেকে বৈশাখ মাসে বস্তায় আদা রোপণ করলে পৌষ-মাঘে আদা উত্তোলন করা যায়। কন্দ পঁচা রোগ ও পোকামাকড়ের হাত থেকে আদা রক্ষায় নিয়মিত বিকেলে ছত্রাক নাশক ও কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। আদা উত্তোলনের আগ পর্যন্ত প্রতি বস্তায় খরচ হয় ৬০-৬৫ টাকা। প্রতিটি বস্তায় ১ থেকে দেড় কেজি আদা উৎপাদন হয়। এতে প্রতি বস্তায় খরচ বাদে আয় হবে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। স্বল্প পরিচর্যা ও স্বল্প খরচে বস্তায় আদা চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আদা চাষে সেচ, কীটনাশক ও সার প্রয়োগসহ অন্যান্য খরচ কম হয় বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সেকান্দরপুর এলাকার কৃষক বেলাল হোসেনের বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, পতিত জমির গাছতলায় বস্তায় আদা চাষ করছেন কৃষক বেলাল হোসেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এই ধরনের নতুন চাষাবাদ কৌশল অবলম্বন করে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারি, ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ারডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রজেক্ট, এগ্রিকালচারাল সিস্টেম রেস্টোরেশন কম্পোনেন্ট প্রকল্পের আওতায় বাগানে ৫০টি বস্তায় দেশী আদা চাষ করেছেন কৃষক বেলাল হোসেন। এই প্রযুক্তিতে বস্তায় আদা চাষ সম্প্রসারণ করা হলে, দেশে মসলা ফসলের উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবেন কৃষকরা।

উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সেকান্দরপুর এলাকার কৃষক বেলাল হোসেন বলেন,‘উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে বাড়ির আঙিনায় পরিত্যক্ত বস্তায় মাটি ভরে আদা চাষ শুরু করেছি। বস্তায় আদা চাষাবাদের অনুকরণে আশেপাশের অনেকের মধ্যেই আদা চাষে আগ্রহ বেড়েছে।’

এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সফিক উল্যাহ বলেন, বস্তায় আদা চাষ একটি আধুনিক পদ্ধতি। যা ফল বাগানে, পতিত জমিতে, বসতবাড়ির আনাচে কানাচে, এমন কি বাড়ির ছাদে চাষ করা যায়। যা প্রচলিত চাষাবাদের চেয়ে ফলন বেশি হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ কামরুজ্জামান বলেন,‘বস্তায় আদা চাষ করলে অতি বৃষ্টি বা বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। একবার ফসল তোলার পর সেখানে আলাদা করে কোনো সার ছাড়াই আরেকটি ফসল ফলানো যায়। ফলে খরচ একেবারেই কম হয়। মসলা জাতীয় এই আদা চাষে রোগবালাই নিরাময়সহ যাতে আদার ফলন ভালো হয়ে কৃষকরা লাভবান হয়। এ ব্যাপারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

​রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪