| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব, প্রধান শিক্ষককে গণপিটুনি

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৬, ২০২৫ ইং | ০০:০০:০০:পূর্বাহ্ন  |  ১৯১২২০৪ বার পঠিত
ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব, প্রধান শিক্ষককে গণপিটুনি
ছবির ক্যাপশন: শিক্ষার্থীকে সহকারী শিক্ষকের কুপ্রস্তাব দেয়ার পর বিচার না করায় প্রধান শিক্ষককে গণধোলাই দেন এলাকাবাসী।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

শিক্ষার্থীকে সহকারী শিক্ষকের কুপ্রস্তাব দেয়ার পর বিচার না করায় প্রধান শিক্ষককে গণধোলাই দেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার মাদ্রা রাধাগঞ্জ ইউনাইটেড ইনস্টিটিউশনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক সাইফুদ্দিন কাজলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে দুটি তদন্ত কমিটি।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দেন সহকারী শিক্ষক সাইফুদ্দিন কাজল, যিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হাসান মো. নাসির উদ্দিনের ছোট ভাই। ২২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের কল রেকর্ডে ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর গল্প শোনান এবং বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। অডিওটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীর মা প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। 

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ ও কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে।

 এ সময় ভ্যানে করে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষককে ধরে বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে পিটুনি দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। কিছুক্ষণ পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুদ্দিন কাজলের বাড়িতে হামলা চালায়। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা বিদ্যালয়ে যাই। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে তারা শান্ত হয়। তবে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ পরে তাকে উদ্ধার করেছে।’ 

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈনুল হক বলেন, ‘অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক সাইফুদ্দিন কাজলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহজাহান সিরাজকে প্রধান করে এক সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদন জমার সময় এক কর্মদিবস। প্রধান শিক্ষকের গাফিলতি খতিয়ে দেখতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নূরে আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



রিপোর্টার্স২৪/এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪