কানাডায় চলমান জি-৭ সম্মেলনে জোটটির নেতারা কার্যত ইসরায়েলের পক্ষই নিলো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
বিশ্ববিখ্যাত সুন্নি ইসলামি পণ্ডিত ও শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ মুফতি ত্বকী উসমানী ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো মিশর, আলজেরিয়া, বাহরাইন, ব্রুনেই, শাদ, কোমরোস, জিবুতি, গাম্বিয়া, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সুদান, সোমালিয়া, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত পঞ্চম দিনে গড়েছে। যেকোনো সময় এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের রাজধানী তেহরানের বাসিন্দাদের হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৭ জুন) সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলে আবারও ইরানে হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিসহ দেশটির একাধিক গণমাধ্যমের বরাতে সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানে চীনের একটি কার্গো বিমান নামার পর থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা। ভারতীয় মিডিয়ার এক খবরে বলা হয়েছে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে চীন। গোপনে পাঠাচ্ছে অস্ত্র।
ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পরিধি বাড়াতে চায় না ইরান। তবে কোনো আক্রমণের সমানমাত্রায় পাল্টা জবাব দেবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হলে সংঘাত বাড়বে না, বরং শেষ হবে।
ইসরায়েলের হামলায় কিছুক্ষণের জন্য সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের। তবে পুনরায় সম্প্রচার শুরু হয়েছে। রাজধানী তেহরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র সম্প্রচার সংস্থার (আইআরআইবি) ভবনে ওই হামলা চালানোর পর সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের।
ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর দেশের ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বহু এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।