স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশের ফ্যাশন, মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ এর ফার্স্ট রানার আপ আলিশা ইসলাম। যিনি সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ফেমাস প্যারিস ফ্যাশন উইকে বাংলাদেশী মডেল হিসেবে র্যাম্পে হেঁটেছেন। অংশ নিয়েছেন ইতালির মিলান ফ্যাশন উইকেও।
সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে পথ চলা শুরু। এরপর হেঁটেছেন র্যাম্পে, চলচ্চিত্র সহ মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির নানান অঙ্গনে।
এ প্রসঙ্গে আলিশা বলেন, আমার শুরুটাই হয়েছে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ এর ফার্স্ট রানার আপ থেকে। তারপর থেকে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে আমার যাত্রা শুরু হয়।
তিনি বলেন, আমার প্রথম সিনেমা রাজু আলীম এর পরিচালনায় ইমপ্রেস টেলিফিল্মস এর ভালোবাসার প্রজাপতি। এখান থেকে আমার অ্যাক্টিং ক্যরিয়ার শুরু করি। এরপর থেকে মিডিয়ায় অনেক কাজ করা হয়। ফ্যাশন, রানওয়েতে, এঙ্করিং, উপস্থাপনা।
আলিশা চলচ্চিত্র মাধ্যম প্রসঙ্গে বলেন, রাজু আলীমের ভালোবাসার প্রজাপতি আমার প্রথম সিনেমা। এরপর থেকে আমার সিনেমা ক্যারিয়ার শুরু হয়ে যায়। জাজের সাথে আরেকটি সিনেমা করেছি। শাপলা মিডিয়ার সাথেও আরেকটি সিনেমা করেছি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এমআর নাইন।
মিস ইউনিভার্স রানার্স আপ হবার পরে কোন ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করবেন জানতে চাইলে আলিশা জানান, অনেক। ভাসাবি, ভিভা, প্রেমস কালেকশন, টুয়েলভ, সোলাস্তা, নাবিলা, নেরোল্যাক, হুয়াওয়ে, ওপ্পো আরো অনেক।
আলিশার বোন আবিলা ইসলাম এ প্রজন্মের আলোচিত ডিজে। মা’ও অনুপ্রেরণা দেন সামনে এগিয়ে যেতে। নিজের পরিবার প্রসঙ্গে আলিশা বলেন, ‘আমার ফুল ফ্যামিলি এখনো দেশের বাইরে থাকে। দাদার সাইডের। নানার দিক এখানেই থাকে। আমার বাবা ইমরানুল ইসলাম ইমরান। আমার আম্মুর নাম রুমানা পারভিন। আমার জন্ম হয় দিনাজপুরে। আমার বয়স যখন ২বছর তখন আমি ঢাকায় চলে আসি। আমার আব্বু আম্মুর সেপারেশনের পর আমি পুরোপুরি আমার মায়ের কাছেই বড় হয়েছি। আমার একটাই স্কুল ছিলো। মেপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। আমি ও লেভেলস দেই ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে। তারপরই মালয়েশিয়াতে চলে যাওয়া হয় আমার ফাউন্ডেশনের জন্য। ফাউন্ডেশন করেছি আমি লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে। পড়াশোনাও ইনফরমেশন টেকনোলজিতে করেছি। আমার ফাউন্ডেশন শেষ। মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসছি এই ভেবে যে আইইএলটিএস করে কানাডাতে চলে যাবো। কিন্তু আইইএলটিএস শেষ করার সময়েই দেখি ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটির একটা রেজিস্ট্রেশন চলছে অনলাইনে। রেজিস্ট্রেশনটা কমপ্লিট করলাম, পার্টিসিপেট করলাম এরপর এই শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিটার একটু মজা পেতে পেতেই দেখি করোনা শুরু হয়ে গেছে। আর আমার স্টুডেন্ট ভিসা অফ হয়ে গেলো। আমার বাহিরে যাওয়া হলো না। তো আমার ওয়েল উইশার এবং কাছের সবাই বলছে, যেহেতু ক্যারিয়ারে হাই টাইম চলছে সেজন্য তাই স্টাডিটাও কমপ্লিট করে ফেলতে। ইনশাআল্লাহ স্টাডিটাও কমপ্লিট করে ফেলবো।’
বাংলাদেশে শোবিজে পছন্দের তালিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার ফ্যাশনে আজরা আপুকে ভাল্লাগে। পিয়া জান্নাতুল আপুকে খুব ভাল্লাগে। ইমি আপুকে খুব ভালো লাগে। ছেলেদের মধ্যে আসিফ আজিমকে খুবই ভালো লাগে। আমি খুবই বড় ফ্যান তার। এরপর আজিমুদ্দৌলা আছে, আজমির আছে। নিবিড় নাহিদ আছে, ভালো কাজ করছে। এদের আমার ভালো লাগে। কাছের মানুষ লাগে। পাশের মানুষ লাগে। সিনেমা জগতে আছে আরেফিন শুভ। খুবই ভালো কাজ করেন। আমার একটু সিনিয়র মানুষদের ভালো লাগে। যেমন চঞ্চল ভাই আছেন। আলিশা জানান, সম্প্রতি কলকাতায় বেস্ট মডেল অ্যাওয়ার্ড পেলাম আমি। কলকাতা বাংলাদেশ মিলিয়ে। এটা আমার খুবই ভালো লাগার বিষয়, আমি খুবই খুশি।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব