| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, রেড অ্যালার্ট জারি ও মাইকিং

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০৫, ২০২৫ ইং | ২০:১৬:১৯:অপরাহ্ন  |  ১৪৪০৩৫২ বার পঠিত
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, রেড অ্যালার্ট জারি ও মাইকিং
ছবির ক্যাপশন: তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, রেড অ্যালার্ট জারি ও মাইকিং

নীলফামারী প্রতিনিধি: 

ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে স্থানীয়দের।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে লালমনিরহাটের দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। তবে মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সন্ধ্যা ৬টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৬টায় পানির স্তর ছিল ৫১ দশমিক ৪৩ মিটার, যা সন্ধ্যায় বেড়ে দাঁড়ায় ৫২ দশমিক ২৮ মিটার। বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটারে।

পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় তিস্তার ডান তীরের বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের পাইলিং ও বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তিস্তা তীরবর্তী ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রাম এবং চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে, রোপা আমন ক্ষেতও তলিয়ে গেছে।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান জানান, দুপুরের পর থেকেই নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। এখন ঝাড় সিংহেরস্বর, খোকার চর, খাড়াপাড়া ও ফ্লাটপাড়াসহ বেশ কিছু চরাঞ্চল প্লাবিত।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, বিকাল থেকে পানির চাপ বাড়ছে। বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে, আমন ধান তলিয়ে গেছে, অনেক বাড়িঘরেও পানি ঢুকেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে রাত ৮টার দিকে পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে পৌঁছায়।

তিনি আরও বলেন, তিস্তার জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি কালীগঞ্জ এলাকায় ডান তীরের প্রধান বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত মেরামতকাজ চলছে। নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে অনুরোধ করছে।

রিপোর্টার্স২৪/সোহাগ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪