স্পোর্টস ডেস্ক: আল্লাগ গজনফরের বিদায়ের পর ব্যাট করতে নেমেছিলেন রহমত শাহ। চোট পেয়ে এর আগে উঠে গিয়েছিলেন রহমত। কিন্তু এসেই প্রথম বল খেলেই মাঠে পড়ে যান একিলিসিের চোটে ভোগা রহমত। হুইলচেয়ারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। এর মাধ্যমে সব উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাড়ায় ১৯০ রান।
১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে একাই লড়ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান। দেখেশুনে খেলে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু জাদরানকে সেঞ্চুরি পেতে দিলেন না রিশাদ বাংলাদেশের বোলার মিরাজ।
ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করতে চেয়েছিলেন ইব্রাহিম জাদরান। সেটি করতে গিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৪৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডিপ মিউউইকেটে রিশাদ হোসেনের দারুণ এক ক্যাচের শিকার হয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে থেকে আউট হন জাদরান।
আবুধাবিতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নিয়েছে আফগানিস্তান। বেশ দেখেশুনেই শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার গুরবাজ আর সেদিকুল্লাহ অতল।
পঞ্চম ওভারে এসে আঘাত হানেন তানজিম হাসান সাকিব। তাকে পুল করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে জাকের আলীর ক্যাচ হন গুরবাজ (১১)। ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় আফগানরা।
নবম ওভারে বল হাতে নিয়েই উইকেট তুলে নেন তানভীর ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনারের বলে লংঅনে তানজিম সাকিবকে ক্যাচ দেন সেদিকুল্লাহ অতল (৮)। ৩৮ রানে আফগানিস্তানের দ্বিতীয় উইকেটের পতন।
এরপর অনেকটা সময় একা দলকে এগিয়ে নিয়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। তবে হাসমতউল্লাহ শহিদি আর আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। ইনিংসের ১৮তম ওভারে শহিদিকে (৪) বোল্ড করেন মিরাজ। পরের ওভারে রিশাদ হোসেন স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ওমরজাইকে (০)। ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে আফগানরা।
মোহাম্মদ নবি সেট হয়ে গিয়েছিলেন। তার ইনিংসটি থামে তানজিম সাকিবের বলে কভারে মিরাজের দুর্দান্ত এক ক্যাচে। ২২ রান আসে নবির ব্যাট থেকে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব