রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা’র দীর্ঘ ছুটির পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলকভাবে কম। তবে বাজারে অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও ব্রয়লার মুরগির দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই দোকানপাট খুললেও বেচাকেনা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশ কম। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটি শেষে অনেক পরিবার এখনো ঢাকায় ফেরেনি, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।
বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, যা ঈদের পরের তুলনায় কিছুটা বেশি। পাকিস্তানি মুরগির কেজি ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দোকান অনেক জায়গায় বন্ধ থাকায় দাম জানা যায়নি।
মাছের বাজারে পাঙাস ও তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২০০ টাকা, চাষের কই ২২০ টাকা, রুই ৩২০ টাকা, শিং ৩২০ টাকা এবং মৃগেল মাছ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাদামি ডজন ডিম ১৩০ টাকা এবং সাদা ডজন ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় কিছুটা কম। আগে এসব ডিম যথাক্রমে ১৪০ ও ১৩০ টাকায় বিক্রি হতো।
সবজির বাজারে কচুমুখী কেজি ৮০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং বেগুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চাল কুমড়া প্রতি পিস ৫০ টাকা এবং লাউ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা জানান, কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মুরগির দাম বাড়ায় চাপ বেড়েছে। বাজারে আসা ক্রেতা সাদাত সরকার বলেন, ঈদের একদিন পর ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা কেজি ছিল, এখন তা ১৭০ টাকায় পৌঁছেছে। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের ছুটির কারণে বাজারে ক্রেতা কমে গেছে। মাছ বিক্রেতা আলমগীর জানান, ঈদের আগেই অনেকেই প্রয়োজনীয় বাজার করে রেখেছেন, তাই এখন বিক্রি তুলনামূলক কম। ফলে বাজারে স্বাভাবিক সময়ের মতো চাপ নেই।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ঢাকায় মানুষের উপস্থিতি বাড়লে বাজারও স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম