স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা র্যাংঙ্কিংয়ে ১৫৫তম অবস্থানে থাকা পুয়ের্তো রিকোকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে মেসির আর্জেন্টিনা। আজ বুধবার ( ১৫ অক্টোবর) ভোরে এক প্রীতি ম্যাচে মায়ামির চেজ স্টেডিয়ামে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনা বড় জয় পেয়েছে। দলে ফিরে দুটি গোলে লিওনেল মেসির অবদান। দুটি করে গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার। একটি করে গোল গঞ্জালো মন্তিয়েল। ৬৪ মিনিটে পুয়ের্তো রিকোর স্টিভেন এচেভেরিয়া আত্মঘাতী গোল করেন।
২২ মিনিটে বাতাসে ভাসানো নিখুঁত পাসে গঞ্জালো মন্তিয়েলকে দিয়ে গোল করান মেসি। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল বানানোয় শীর্ষে থাকা নেইমারকে ধরে ফেলেন (৫৯)। ব্রাজিলিয়ানকে টপকে যান নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ৬ মিনিট আগে। লাওতারোকে ব্যাক পাস দিয়ে গোল করান। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল বানানোর রেকর্ড (৬০) এখন মেসির। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে বিশ্রাম থেকে ফিরেই রেকর্ড গড়লেন কিংবদন্তি।
স্কালোনির দলের ৬৮.৬ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা বলে দেয় প্রীতি ম্যাচের নামে পুয়ের্তো রিকোকে নিয়ে আসলে ‘ছেলেখেলা’ করেছে আর্জেন্টিনা। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, কয়েকজন কলেজ ফুটবলারও আছেন পুয়ের্তো রিকোর দলে। কিন্তু আর্জেন্টিনার জন্য ম্যাচটি ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির। খেলোয়াড়েরা তাই খুঁত রাখতে চাননি। গোলের সুযোগ পেলে গোল করেছেন। অভিষিক্ত ফ্লাকো লোপেজের পাস থেকে ৩৬ মিনিটে তাই নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন ম্যাক অ্যালিস্টার। বিরতির পর দুই গোল করেছে আর্জেন্টিনা। অন্যটি আত্মঘাতী।
৭৯ ও ৮৪ মিনিটে গোল দুটি লাওতারোর। শেষ গোলটি মেসি ও লাওতারোর মধ্যে দারুণ বোঝাপড়ার ফসল। বক্সে দৌড়ের ওপর লাওতারোকে ব্যাক পাস দেন মেসি।
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মোট চার খেলোয়াড়ের অভিষেক হয় এই ম্যাচে। ফ্লাকো লোপেজ, অ্যানেবাল মোরেনো ও লাওতারো রিভেরোর পাশাপাশি গোলকিপার ফাকুন্দো ক্যাম্বেসেসকেও মাঠে নামান স্কালোনি। ৭৬ মিনিটে মার্তিনেজকে তুলে ফাকুন্দোকে নামান আর্জেন্টিনা কোচ। বিরতির পর বদলি হিসেবে নামেন মোরেনো ও রিভেরো।
রিপোর্টার্স ২৪/এমবি