রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বেসরকারি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে শুধু সরকারি (নবম গ্রেডের নিচে নয়) বা অবসরপ্রাপ্ত (পঞ্চম গ্রেডের নিচে নয়) কর্মকর্তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে কেন এ বিধান অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।বুধবার (২২ অক্টোবর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও ব্যারিস্টার রুহুল কাইয়ূম।
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের সভাপতি করার বিধানটি বৈষম্যমূলক। এটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করে। আদালত তাই এ বিধান স্থগিত করেছেন।”
এর আগে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোকছেদুর রহমান আবির প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। গত সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, বেসরকারি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে নবম গ্রেড বা তার ওপরের পদে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা কিংবা পঞ্চম গ্রেড বা তার ওপরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগযোগ্য হবেন।
এছাড়া, সভাপতি পদের জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক খন্দোকার এহসানুল কবির জানান, “শুধু সভাপতি পদে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নীতিগত পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে।”
রিপোর্টার্স২৪/এসসি