ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানে নারী রাজনৈতিক বন্দি জাহরা শাহবাজ তাবারিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। জাহরার পক্ষে কোনো স্বাধীন আইনজীবী ছিল না। পরিবারের দাবি, এটি ছিল সম্পূর্ণ ‘নাটকীয় ও বেআইনি বিচার।’
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানায়, গত সপ্তাহে ইরানের রাশত শহরের বিপ্লবী আদালতের প্রথম শাখার বিচারক আহমাদ দারবিশ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই রায় ঘোষণা করেন।
জাহরার পরিবার জানায়, রায় ঘোষণার সময় বিচারক হাসছিলেন। এটিকে তারা স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন। সাত দিনের মধ্যে তারা আপিল করতে পারবেন এবং ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
জাহরার বিরুদ্ধে নির্বাসিত বিরোধী গোষ্ঠী মুজাহেদিন ই-খালক এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে তার পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তার ছেলে জানিয়েছেন, আদালত নিযুক্ত আইনজীবী কোনো যুক্তিতর্ক করেননি; বরং রায়ের সঙ্গে একমত হয়ে স্বাক্ষর করেছেন। পুরো প্রক্রিয়াটাই ছিল সাজানো।
চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহবাজ তাবারিকে। নিরাপত্তা বাহিনী তখন তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পরিবারের বেশ কিছু জিনিসপত্র জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে যে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা হলো—একটি কাপড়ের টুকরো। যাতে লেখা ছিল ‘নারী, প্রতিরোধ, স্বাধীনতা’ এবং একটি প্রকাশ না করা ভয়েস মেসেজ।
রিপোর্টার্স২৪/টিআই/এসসি