সিনিয়র রিপোর্টার: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গণভোটের জন্য নাকি বিএনপির থেকে একটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, এটায় নাকি অনেক টাকা খরচ হবে। এই গণঅভ্যুত্থানের পরে বিএনপির একটা গডফাদার যে চাঁদাবাজি করেছে ওই টাকা দিয়েই তো গণভোট আয়োজন করা যায় বাংলাদেশে।
শনিবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বিএম মিলনায়তনে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তরুণ আলেমদের ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি ।
তিনি আরও বলেন, তারা (বিএনপি) বাংলাদেশের এবং শেখ হাসিনার যে সম্পদগুলো চুরি করেছিল এগুলো তো আপনার-আমার সম্পদ। এগুলো তো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হওয়ার কথা। এজন্য আমরা বিএনপির কাছে আহ্বান জানাব, আপনারা যে ধরনের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বাংলাদেশে কায়েম করেছেন, জনগণের টাকা লোপাট করেছেন এগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিন।
নাসীরুদ্দীন বলেন, আর যদি টাকার প্রশ্ন আসে একটা গণভোট আয়োজন করতে, এ টাকা এটা তো আপনাদের একটা আসনে ওইযে ঢাকা মহানগরের একজন নেতা আছে নয়ন ও যে টাকা চাঁদাবাজি করেছে, দুর্নীতি করেছে ওই টাকা দিয়েই বাংলাদেশে একটা গণভোট হওয়া সম্ভব।
বিএনপির সিনিয়র নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপিকে বুড়িগঙ্গার পানি দিয়ে ক্লিন করতে হবে। আরেকটা হলো যে আমরা উনাদেরকে এতদিন জমজমের পানি দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উনাদের মাথাও ক্লিন হয় নাই, বডিও ক্লিন হয় নাই, কিছুই হয় নাই। এজন্য আমাদের মনে হয় এখন উনাদেরকে বুড়িগঙ্গার পানি দিয়ে একটু পরিষ্কার করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে আপনাদের ব্রেনটা একটু খোলে।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটে আরেক অনুষ্ঠানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জামায়াতে ইসলামী একাত্তরে যা করেছে, সেই ভূত এখনও তাদের মাথায় চেপে বসে আছে । এমন সব দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে যা রীতিমতো ভণ্ডামি, নির্বাচনে আসন সংখ্যা কিছুটা বাড়ানোর জন্যে এমনটা করছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির কাছ থেকে কিছু সিট বাড়ানোর জন্যে তারা গণভোট আগে চাইছে। জামায়াত মুখে এক আর তাদের অন্তরে অন্য কিছু। এসময় সংস্কারের জন্য নোট ডিসেন্টের দাবি তুলতে জামায়াতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনী প্রতীকের প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, শাপলা তালিকাভুক্ত না করে শাপলা কলি অন্তর্ভুক্ত করার যে খেলা ইসি খেলছে তার পরিণতি হবে, ইসির সামনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নোট অব ডিসেন্টের জায়গায় নোট অব চিটিং দিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এছাড়া রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে আদেশ জারির চেষ্টা করা হলে জনগণ বঙ্গভবন ঘেরাও করবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি