রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : ইথিওপিয়ার দক্ষিণে প্রথমবারের মতো মারবুর্গ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, মোট ৯ জন রোগী প্রাদুর্ভাবের মধ্যে পড়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-র মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেসাস জানিয়েছেন, ইথিওপিয়ার দ্রুত পদক্ষেপ প্রশংসনীয় এবং প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতে পারে। ভাইরাসটি ইবোলা পরিবারের ফিলোভিরিডি গ্রুপের সদস্য এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইবোলার চেয়ে আরও মারাত্মক।
মারবুর্গ ভাইরাস মূলত মিশরের ফলখেকো বাদুড় থেকে আসে। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা দূষিত বস্তু স্পর্শ করলেই ছড়িয়ে যেতে পারে। উপসর্গের মধ্যে জ্বর, চামড়ায় র্যাশ এবং তীব্র রক্তক্ষরণ রয়েছে। বর্তমানে এর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই; চিকিৎসা মূলত সহায়ক, যেমন বিশ্রাম এবং শরীরে পানি ধরে রাখা।
ইথিওপিয়ার ওমো অঞ্চলে প্রাদুর্ভাব ঘটায় দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্বেগ বেড়েছে। আফ্রিকা সিডিসি’র মহাপরিচালক জ্যাঁ কাসেয়া বলেন, ‘দক্ষিণ সুদানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল, তাই ঝুঁকি বেশি।’ আক্রান্তরা কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও সচেতনতার কাজ চালাচ্ছেন।
ডব্লিউএইচও এসময় জানিয়েছেন, তারা ইথিওপিয়াকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে এবং সীমান্ত এলাকায় ভাইরাস ছড়ানো রোধে কাজ করছে।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে