যশোর প্রতিনিধি : বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় সমান দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এখানে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা পবিত্র কুরআনের হিফজ ও তাফসিরের আলোয় নিজেদের চরিত্র গড়ে তোলে, অন্যদিকে তারা ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে যোগাযোগের দক্ষতাও অর্জন করে।
প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত তিন পারা সমপরিমাণ পবিত্র কুরআন মুখস্থ করার পাশাপাশি ন্যাশনাল কারিকুলাম ইংলিশ ভার্সনের আওতায় আধুনিক পাঠদান। প্লে থেকে কেজি পর্যন্ত দুইজন কো-শিক্ষকের মাধ্যমে শিশুবান্ধব শিক্ষা প্রদান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ডিজিটাল এটেনডেন্স ও সিসিটিভি মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে। অভিভাবকগণ সন্তানের উপস্থিতি ও অগ্রগতি ঘরে বসেই এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারবেন।
এখানে রয়েছে সহীহ কুরআন তিলাওয়াত ও সালাত প্রশিক্ষণ, ইংরেজি ও আরবি বক্তৃতা ও বিতর্কে অংশগ্রহণ, ড্রইং, ক্যালিগ্রাফি, অভিনয়, আবৃত্তি, সংগীত ও সাংস্কৃতিক কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ। এছাড়া টিভি চ্যানেলভিত্তিক পারফরম্যান্স, ছায়া সংসদ ও ছায়া আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা এবং মেধাবীদের জন্য স্কলারশিপ ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার প্রস্তুতি প্রদান করা হয়।
শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, সুইমিং, ব্যাডমিন্টনসহ নিয়মিত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ, শারীরিক কসরত ও কুচকাওয়াজের ব্যবস্থা। আধুনিক আবাসিক হোস্টেল এবং শহরের বিভিন্ন রুটে ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস থাকায় অভিভাবকরা নিশ্চিন্তে সন্তানদের দায়িত্ব দিতে পারেন।
ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল দর্শন হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তারা হয় খাঁটি ঈমানদার, নৈতিকভাবে দৃঢ়, জ্ঞান ও মেধায় শ্রেষ্ঠ, এবং দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত নাগরিক।
ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও (হিফজ মাদ্রাসা) যশোর শাখার চেয়ারম্যান আবু ফয়সাল বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় অপরিহার্য। ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। যেখানে কুরআনের নূর ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠছে। নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও প্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ নতুন প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা ঈমান, জ্ঞান ও মানবতার মিশেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।”
রিপোর্টার্স২৪/মিতু