| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাউজানে অস্ত্রসহ ডাকাত শাহ আলম ও দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১৭, ২০২৫ ইং | ১৯:৪৫:৩৬:অপরাহ্ন  |  ১২৭৭১৬১ বার পঠিত
রাউজানে অস্ত্রসহ ডাকাত শাহ আলম ও দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
ছবির ক্যাপশন: চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম ব্যুরো : অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত শাহ-আলম ও হুমায়ুন উদ্দিন আকাশ প্রকাশ লেদাইয়া এবং হাটহাজারীর ১৬ মামলার আসামি হানিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার( ১৭ নভেম্বর) ভোর ৫টায় রাউজান উপজেলা নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলোয়ান পাড়া এলাকা থেকে শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার আগে, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানাধীন পদুয়া ইউনিয়নের মৌলভীখীল তিন রাস্তার মোড়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা চেকপোস্ট স্থাপন করে হুমায়ুন উদ্দিন আকাশ প্রকাশ লেদাইয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে, রাউজান থানাধীন মকবুল আহমেদ সওদাগরের বাড়ির জনৈক মাহবুবুল আলমের টিনের ঘরের পশ্চিম পাশের ঝোপের ভিতর থেকে ১টি এলজি ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শাহ আলমের কাছ থেকে চারটি এলজি, তিনটি কার্তুজ, একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। অভিযান চলাকালে তার বাড়ির পাশের পুকুরে একটি বিদেশী পিস্তল ফেলে দেয় গ্রেপ্তার শাহ আলম। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে পুকুর সেচ দিয়ে চুম্বকের সাহায্যে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলি এবং একটি রাইফেল উদ্ধার করে পুলিশ।

রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূইয়া সাংবাদিকদের জানান, শাহ আলম একজন চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ মোট ৯টি মামলা আছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ৪টি ওয়ারেন্ট (হত্যা ২টি, ডাকাতি ১টি, অপহরণ ১টি) মুলতবী রয়েছে। 

উল্লেখ্য যে, শাহআলম চাঞ্চল্যকর হাকিম হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। পূর্বে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আবদুল হাকিম হত্যাকান্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া দুটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ।

অপর একটি অভিযানে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ফতেহপুর ইউনিয়নের শয্যাপাড়া এলাকা থেকে মোঃ হানিফ নামে এজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পর্যালোচনায় বিভিন্ন ককটেল বিস্ফোরণ ও টায়ার জ্বালিয়ে ত্রাস সৃষ্টির ভিডিও পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সে বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন স্থানে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার কথা স্বীকার করে। থানার সিডিএমএস অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪