চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ব্যাটারি চালিত পাখিভ্যানের চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের আলুকদিয়া বাজার সংলগ্ন রোমেলা খাতুন স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামের কাছারিপাড়ার মৃত রাজু আহমেদের
স্ত্রী মোছা পারভীনা খাতুন (৪৫) এবং একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে, পাখিভ্যান চালক রমজান (৪২)। আহতরা হলেন—নিহত পারভীনা খাতুনের ছেলের স্ত্রী আনিকা (১৮) এবং পাখিভ্যানের আরেক যাত্রী, রাজাপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে ইসরাত (২৬)। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা থেকে ভালাইপুরগামী একটি পাখিভ্যান স্কুলের সামনে পৌঁছালে দৌলতদিয়ার থেকে রওনা দেওয়া একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাস ও পাখিভ্যান দুটোই ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই ভ্যানে থাকা মোছা পারভীনা খাতুন (৪৫) মারা যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইসরাত জাহান জেসি জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আনিকা ও ভ্যানচালক রমজানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। ইসরাতকে মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান, যার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “নিহত দুইজনের লাশ সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত একজনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। অন্যজন সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রমজান ও আনিকাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। কিন্তু পথে সরোজগঞ্জ এলাকায় পৌঁছালে রমজান মারা যান। দুর্ঘটনার পর নিহত পারভীনা খাতুনের মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন