| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাশিয়ার ২ ট্যাঙ্কার জাহাজ উড়িয়ে দিলো ইউক্রেন, ভিতরে ছিলো ৪ বাংলাদেশি

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ৩০, ২০২৫ ইং | ০৫:৫৬:৫১:পূর্বাহ্ন  |  ১১৯৯২৫১ বার পঠিত
রাশিয়ার ২ ট্যাঙ্কার জাহাজ উড়িয়ে দিলো ইউক্রেন, ভিতরে ছিলো ৪ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার দু’টি ট্যাংকার জাহাজ উড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। গতকাল নাভাল ড্রোন ব্যবহার করে ‘কাইরোস’ এবং ‘ভিরাট’ নামের জাহাজ দু’টি ধ্বংস করা হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, জ্বালানি তেল বিক্রির মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য অর্থের সংস্থান করছে মস্কো। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার জ্বালানি তেল এবং জ্বালানি ব্যবসার অবকাঠামো লক্ষ্য করে দীর্ঘদিন ধরে হামলা পরিচালনা করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এর অংশ হিসেবেই নাভাল ড্রোন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে ‘কাইরোস’ এবং ‘ভিরাট’-কে।

ট্যাংকার জাহাজ দুটি অবশ্য খালি ছিল। তেল বোঝাই করে বিদেশযাত্রার জন্য কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী নভোঅরাসিয়াস্ক শহরের দিকে যাছিল কাইরোব এবং ভিরাট। যাত্রাপথেই নাভাল ড্রোন হামলার শিকার হয় জাহাজ দু’টি।

নাভাল ড্রোন হলো একপ্রকার বিস্ফোরকবাহী চালকবিহীন নৌযান। সাগরে যুদ্ধজাহাজে হামলার ক্ষেত্রে এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উচ্চগতিতে ছুটে আসা ড্রোনগুলো সরাসরি ট্যাংকারগুলোতে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ঘটে বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়ে আগুন আর কালো ধোঁয়া।

তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার ‘এমটি কায়রোস’ ও ‘বিরাট’ নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটির ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার ‘বিরাট’ ট্যাংকারে আরো একটি হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নেই।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র মতে, এমটি কায়রোস থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেন তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।

যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন।

ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে এক লিখিত বার্তায় বলেছেন, “হামলার ভিডিও আমাদের কাছে আছে। সেটি পর্যালোচনা করে আমরা বুঝতে পেরেছি যে নাভাল ড্রোনের আঘাতে ট্যাংকার জাহাজ দু’টির গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং সেগুলো আর চলাচলের উপযোগী অবস্থায় নেই। এই হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার তেল বাণিজ্য ও তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে আমরা বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছি।”

কাইরোস এবং ভিরাট— উভয়ের নাম যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছে। হামলার প কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী অপর দেশ তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোন হামলার পর দুই ট্যাংকার জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে সরিয়ে নিয়েছে তুর্কি কোস্টগার্ড বাহিনী।

এই হামলায় কৃষ্ণ সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পথে নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে হয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার প্রতিবেশী কাজাখস্তানও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ ইস্যুতে কোনো মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি মস্কো।  



রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪