নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সুদের টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। গ্রেপ্তার হওয়া মো.ইসমাইল হোসেন ওরফে দিদার (৪০) উপজেলার নারায়ণভট্র গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুন্ডু।
নিহত আব্দুর রহিম (৫৭) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যার ছেলে। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে মিথিলা বেকারির মালিক ছিলেন।
র্যাব-১১ জানায়, আব্দুর রহিম গত ১০/১২ বছর ধরে উপজেলার আমিশাপাড়া বাজারে মিতালী বেকারি নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। ভিকটিমের সাথে আসামির টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে আসামি তার দলবল নিয়ে বাজারে ভিকটিমের বেকারি থেকে তাকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এক পর্যায়ে তাকে নুর মোহাম্মাদ বেডিং স্টোর নামে একটি তুলা দোকানের ভিতরে আটকে রেখে সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়।
আরও জানা যায়, আব্দুর রহিম গুরুতর জখম হয়ে দীঘিরজান মসজিদে এসে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে তাকে চাটখিল সেন্টাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বুধবার দিবাগত রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী ১২ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাইমুড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুন্ডু বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি দল ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার ৮নং আসামি দিদারকে গ্রেপ্তার করে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সোনাইমুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু