আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর ঘিরে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার প্রকাশিত নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলপত্রে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।
নথিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে কোনো সংঘাত যেন না ঘটে, সে জন্য সামরিক প্রাধান্য বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য। চীনের সাম্প্রতিক সামুদ্রিক শক্তি প্রদর্শন এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেও এই অবস্থান জানায় ওয়াশিংটন।
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে নথিতে বলা হয়েছে, জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এমন সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলবে, যা যেকোনো আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে পারে। তবে মিত্রদেরও ব্যয় বাড়িয়ে সমষ্টিগত প্রতিরক্ষা জোরদার করতে হবে।
তাইওয়ানের কৌশলগত অবস্থান ও বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে এর ভূমিকার কারণে নতুন কৌশলপত্রে আটবার দ্বীপটির উল্লেখ রয়েছে— যা ২০১৭ সালের নথির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
আগামী এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে দুই দেশের বাণিজ্যিক বিরোধ প্রশমনের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। অন্যদিকে জাপানও জানিয়ে দিয়েছে, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা হুমকি দেখা দিলে তারা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাবে। সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্টার্স২৪/বাবি