সিনিয়র রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই আসনে প্রার্থী দিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলটি এবার ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তরুণ ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা, শিক্ষাঙ্গনের রাজনীতিতে সক্রিয়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞতার কারণে সাদিক কায়েমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দল আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো দেয়নি।
এর আগে এই আসনে জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনকে মনোনীত করেছিল দলটি। মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি এলাকায় প্রচার–প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকারে যেতে পারলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র–শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে পেশাজীবীদের সংগঠন ন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যালায়েন্সের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট উভয় সেক্টরে দলীয় দাস, পরিবারতন্ত্র, তোষণ এসবই চাকরি পাওয়ার মূল মানদণ্ডে পরিণত হয়েছিল।
ছোট দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বড় দলগুলোর কাছে মাথা নত করবেন না। পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ধর্মের রাজনীতি এসব আর চলতে পারে না। ভাঙা দিয়ে শুরু করেছি, এখন গড়ার সময়।
ভারতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ভারতকে বলতে চাই, নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে আসবেন না। এখানে আপনাদের অনেক ব্যবসা আছে, পরে লেজ গুটিয়ে পালাতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় বিজেপির সন্ত্রাস ঠেকাতে আমরা প্রস্তুত।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি