| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত: ৬ দিনে নিহত ২৩, ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫ ইং | ০৫:১৬:৩৬:পূর্বাহ্ন  |  ১১১১৩৫৪ বার পঠিত
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত: ৬ দিনে নিহত ২৩, ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে গত ৬ দিনে সংঘাতে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন এবং বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ৭ লাখ মানুষ। দুই দেশের সরকারি সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

কম্বোডিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এজেন্সি কম্পুচিয়া প্রেস জানিয়েছে, ৭ ডিসেম্বর সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কম্বোডিয়ায় ১১ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ৭৬ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৩ জন।

গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে কম্বোডিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল ম্যালি সোচেতা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংঘাতে একজন কম্বোডীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত মৃতের মধ্যে ওই সেনা অন্তর্ভুক্ত কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

অন্যদিকে শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুরাসান্ত কংসিরি জানিয়েছেন, সংঘাতে এ পর্যন্ত ৯ জন থাই সেনা এবং ৩ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৯০ জন। এছাড়া বাড়িঘর ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ লাখ থাই নাগরিক।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এই দীর্ঘদিনের সীমান্তসংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হলো ‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ বা পান্না ত্রিভুজ। থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা মিলিত এই অঞ্চলে প্রাচীন মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনাসমৃদ্ধ পান্না ত্রিভুজকে উভয় দেশই নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে আসছে।

কম্বোডিয়ার ফরাসি ঔপনিবেশিক সময় থেকে শুরু হওয়া এই বিতর্কে ১৯৫৩ সালে কম্বোডিয়ার স্বাধীনতার পরেও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়নি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সীমান্ত সংঘাত চলার পর ১৫ বছর আগে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে গিয়েছিল। কিন্তু গত বছরের মে মাস থেকে উত্তেজনা শুরু হয় এবং জুলাই মাসের শেষ দিকে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল দু’দেশের সেনাবাহিনী। ওই সংঘাতে দুই দেশের মিলিতভাবে ৪৮ জন নিহত হন এবং ৩ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় তখন যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি হয়েছিল।

চার মাসের শান্তির পর ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পর থাইল্যান্ডের সি সা কেত প্রদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ফের সংঘাত শুরু হয়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪