রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বান্দা যদি আন্তরিকভাবে দোয়া করেন, আল্লাহ তাআলা এত খুশি হন যে কখনও কখনও তকদিরের লিখনও বদলে দেন। সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দোয়া ছাড়া অন্য কিছুই তকদির পরিবর্তন করতে পারে না এবং নেক আমল ছাড়া অন্য কিছু বয়স বাড়াতে পারে না।” (সুনানে তিরমিজি: ২১৩৯)
তাই যদি নিজেকে দুর্ভাগা মনে করেন, হতাশ হবেন না। নিয়মিত দোয়া করুন, কারণ দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহ আপনার খারাপ ভাগ্যও বদলে দিতে পারেন।
নবীজি (সা.) থেকে বর্ণিত খারাপ ভাগ্য প্রতিরোধের দোয়া:
আরবি:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلاَءِ وَدَرَكِ الشَّقَاءِ وَسُوءِ الْقَضَاءِ وَشَمَاتَةِ الأَعْدَاءِ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাহদিল বালা-ই, ওয়া দারাকিশ শাকা-ই, ওয়া সু-ইল কাযা-ই, ওয়া শামাতাতিল আ‘দা-ই।
অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং বিপদে শত্রুর আনন্দিত হওয়া থেকে।
(সহিহ বুখারি: ৬৩৪৭, সহিহ মুসলিম: ২৭০৭)
দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ প্রার্থনার দোয়া:
আরবি:
رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ:
রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল-আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আযাবান-নার
অর্থ:
হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
(সুরা বাকারা: ২০১)
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা