স্টাফ রিপোর্টার: রোববার (৪ জানুয়ারি, ২০২৬) দুপুরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শন শেষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, মোবাইল ফোন আমদানির শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামানো হয়েছে, তবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না।
ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, মোবাইল ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সরকার শুল্কহার কমিয়েছে এবং কর ফাঁকি দিয়ে আনা হ্যান্ডসেট বৈধ করার সুযোগ দিয়েছে। এরপরও দোকানপাট বন্ধ রেখে সড়ক অবরোধ করে ‘অপরাধের লাইসেন্স’ দাবি করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বিটিআরসি ভবন হামলার ঘটনায় দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। পরিদর্শনের সময় বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।
এদিন কয়েক দফা দাবি আদায়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে মোবাইল ব্যবসায়ীরা ফের সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহৃত হয়। পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনা ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) জানিয়েছে, এনইআইআর ব্যবস্থা, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারদের মুক্তি এবং অন্যান্য দাবিতে এই কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তারা পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সব মোবাইল ফোন দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
সরকারের পূর্বঘোষণায় ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে এনইআইআর। এই ব্যবস্থায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হচ্ছে। তবে শুরু থেকেই ব্যবসায়ীরা এর বিরোধিতা করে আসছেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি