ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: উপমহাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত সুফি সাধক, ফুরফুরা শরীফের পীর এ কামেল, মাদারজাদ ওলি ও গাওসুল ওয়াক্ত হযরত মওলানা শাহ সুফী নাজমুস সায়াদাত সিদ্দিকী ন’হুজুর পীর কেবলা (রহ.)-এর ৪৫তম ওফাত দিবস বুধবার, ৭ জানুয়ারি। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এই মহতী দিবসকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় জমিয়তে জাকেরিণের উদ্যোগে অসহায়, হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে ও মরহুম পীর সাহেবের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজন করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ শহরের আব্বাস উদ্দীন (রহ.) সড়কের ব্যাপারীপাড়া সায়াদাতিয়া খানকাহ শরীফে, ঢাকার ট্রপিক্যাল হাইওয়ে হোমস এলাকায় এবং খুলনা শহরের বাকীবিল্লাহ ভবনে বুধবার সন্ধ্যায় সওয়াব রেসানী, জিকির, মিলাদ ও বিশেষ দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব মাহফিলে বিপুল সংখ্যক মুরিদ, ভক্ত ও আশেকান অংশগ্রহণ করেন।
একই সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফুরফুরা দরবার শরীফেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ওফাত দিবস পালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালের এই দিনে ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন পীর, মুজাদ্দিদে জামান হযরত পীর আবু বকর সিদ্দিকী (রহ.)-এর সুযোগ্য সাহেবজাদা, ন’হুজুর পীর কেবলা নামে সমধিক পরিচিত হযরত মওলানা শাহ সুফী নাজমুস সায়াদাত সিদ্দিকী (রহ.) ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালে উপমহাদেশজুড়ে অসংখ্য ভক্ত ও অনুসারী শোকাহত হয়ে পড়েন।
প্রতিবছরের মতো এবারও দুই বাংলার ভক্ত আশেকানরা নানা ধর্মীয় ও মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি স্মরণ করছেন। ওফাত দিবস উপলক্ষে ন’হুজুর পীর কেবলার পৌত্র ও জমিয়তে জাকেরিণের মুখ্য নির্দেশক মওলানা মোহাম্মদ আল্লামা জাবিহুল্লাহ (মাদ্দাঃ) সিদ্দিকী এক বাণীতে সকল মুরিদ ও ভক্তদের সওয়াব রেসানী, জিকির, মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে শরিক হয়ে মরহুম পীর সাহেবের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান এবং এর মাধ্যমে অশেষ নেকী অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম