| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, আটক ৪

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১২, ২০২৬ ইং | ১৭:৩৪:৩০:অপরাহ্ন  |  ৯৮৬৮৯৮ বার পঠিত
শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, আটক ৪
ছবির ক্যাপশন: শরীয়তপুরের জাজিরায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু, ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনার পর বোমা ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধারে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিলাসপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু, ককটেল, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার বিলাসপুর ইউনিয়নের ব্যাপারীকান্দি এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহত ও একজন আহত হন। এ ঘটনায় শুক্রবার পুলিশ বাদী হয়ে ৫৩ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় মামলা দায়ের করে।

ওসি আরও জানান, ঘটনার পরপরই অ্যান্টি টেরোরিজম বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিম অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

এলাকায় আরও বিস্ফোরক থাকার আশঙ্কায় সোমবার বেলা ১১টার দিকে নতুন করে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সেনাবাহিনীর ডগ স্কোয়াড এবং অ্যান্টি টেরোরিজম বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট অংশ নেয়।

অভিযানকালে ককটেল, বোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ, চাপাতি, বড় হাতুড়ি, কুড়াল, মাছ মারার কোচ, বিদেশি চাকু ও একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি ফসলি জমি থেকে সোহান ব্যাপারী (৩২) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত আরমান নয়ন মোল্লা (২৫) ও মো. নবী হোসেনকে (২২) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবী হোসেন মারা যান। আরমান নয়ন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বিলাসপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় চার বালতি ককটেল উদ্ধার করে।

থানা সূত্র জানায়, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এসব ঘটনায় উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একাধিক মামলা হয়েছে।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) মো. তানভীর হাসান জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথ বাহিনীর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪