বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় ২টি চোরাইকৃত অটোর মালামালসহ প্রায় দেড় মাস পর ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। গতকাল রাতভর বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল সাদিক সঙ্গীয় ফোর্সসহ শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মিজানের সমন্বয়ে সদর ও শিবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেখানো জায়গা থেকে চোরাইকৃত অটোর মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন গাবতলী উপজেলার নারুয়ামালা এলাকার বাবু ফকিরের পুত্র সাজু ফকির (৪৬), শিবগঞ্জের বুড়িগঞ্জ বিলহামলা এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র রায়হান হোসেন আইন (৪২) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার কুড়াহার গ্রামের সাকরাম হোসেনের পুত্র মোঃ শাকিল হোসেন (২০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর বগুড়ার সাবগ্রাম এলাকার ফজলু প্রাংয়ের পুত্র তুহিন রহমান (২৭) তার ২টি অটোগাড়ি গ্যারেজে রেখে ঘুমিয়ে যান। কিন্তু পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন গ্যারেজে গাড়ি নেই। পরে পার্শ্ববর্তী বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে দেখতে পান যে ৪–৫ জন মুখচেনা ব্যক্তি তার গ্যারেজ থেকে গাড়িগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।
পরবর্তীতে বগুড়া সদর থানায় গিয়ে গাবতলী উপজেলার নারুয়ামালা এলাকার বাবু ফকিরের পুত্র সাজু ফকির (৪৬), সোনাপুর এলাকার শাহাজাহানের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক (৪০), শিবগঞ্জের বুড়িগঞ্জ বিলহামলা এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র রায়হান হোসেন আইন (৪২), একই উপজেলার তেঘরি গ্রামের আবু তাহেরের পুত্র মোঃ রুবেল (৩৫), বগুড়া সদরের ভাটকান্দি এলাকার তোতা মিয়ার পুত্র কাঞ্চা (৩৫) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার কুড়াহার গ্রামের মোঃ বাচ্চুর পুত্র মোঃ সাকরাম (৫০)-এর নামে এজাহার দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে প্রায় দেড় মাস পর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল সাদিক জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করি এবং সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করি। এই অভিযানে আমরা এজাহারনামীয় দুইজনসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছি এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে। যেকোনো সময় আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে পারব বলে আশা রাখছি।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন