শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। স্থানীয়ভাবে ব্যাপক জনসমর্থন থাকায় এসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা ধানের শীষের প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শেরপুর–১ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এ ঘটনায় দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার প্রভাব ও জনপ্রিয়তা দৃশ্যমান বলে দাবি করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন,আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। ইনশাআল্লাহ তাদের ভোটেই বিজয়ী হবো।
অন্যদিকে, শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনিও মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছেন।
আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন,জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়ার কারণেই আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। জনগণ আমার পাশে রয়েছে এই বিশ্বাস থেকেই এগিয়ে যাচ্ছি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা এবং ব্যক্তিগত ভোটব্যাংকের কারণে এই দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারেন। এতে করে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ধানের শীষের প্রার্থীদের জন্য ভোটের লড়াই আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের সক্রিয় উপস্থিতিতে শেরপুরের এই দুটি আসনে ভোটের উত্তাপ বাড়ছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও কৌতূহল ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রিপোটার্স ২৪/এসসি