| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ ইং | ১৬:৫৮:৫৩:অপরাহ্ন  |  ৬৮৫২৫০ বার পঠিত
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিক্ষোভ দমনে নিহতদের দায়ে অভিযুক্ত ‘হাই-ভ্যালু’ ইরানি কর্মকর্তা ও কমান্ডারদের লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা (প্রিসিশন স্ট্রাইক) চালানোর পরিকল্পনা করছে। এ বিষয়ে উপসাগরীয় এক কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে (MEE) জানান, হামলা চলতি সপ্তাহে হলেও সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনের ভেতরে এই সিদ্ধান্তের ওপর মতবিরোধ ও আলোচনায় বিশৃঙ্খলা রয়েছে। বিশেষ করে ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আলোচনা চলছে।

ট্রাম্প প্রশাসন গত প্রায় এক মাস ধরে ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে। বিক্ষোভকারীদের ‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল’ করার আহ্বান দেয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুটা পিছু হটেন এবং বলেন, ‘হত্যা বন্ধ হয়েছে।’ তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটা সাময়িক নীরবতা মাত্র।

এক সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা MEEকে জানান, ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে ‘রেজিম চেঞ্জ’ লক্ষ্য পরিত্যাগ করেননি। স্টিমসন সেন্টারের মধ্যপ্রাচ্য প্রোগ্রামের প্রধান রান্ডা স্লিমও বলেছেন, ট্রাম্পের এই নরম অবস্থান ‘অস্থায়ী’।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার মতে, জুনে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালীন ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুনরায় সরবরাহের মাধ্যমে মজুদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগর থেকে আসা বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে। এই রণতরীতে রয়েছে F-35, F/A-18 ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিমান।

খোলা সূত্রের ফ্লাইট ট্র্যাকার তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের মুয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন মোতায়েন করা হয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় তাদের আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে রাজি নয়। এমনকি ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে এ ধরণের সুবিধা দেয়নি।

ইরান আগেও সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আরব দেশগুলোর ঘাঁটি ব্যবহার করে হামলা চালায়, তবে ওই দেশগুলোকেও টার্গেট করা হবে। সৌদি আরব, কাতার, ওমান ও তুরস্কের পাশাপাশি কিছু সূত্রে বলা হচ্ছে, ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পক্ষে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভেতরে বিক্ষোভের সময় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইরানকে ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ মনে হতে পারে। ফলে তেহরান শক্তিশালীভাবে পাল্টা হামলা করতে পারে যেমন মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ বা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলবে। মিডল ইস্ট আই

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪