| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শালিখা বিহারি লাল সরকারি ডিগ্রি কলেজ

দীর্ঘ অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২২, ২০২৬ ইং | ২০:৪৫:১১:অপরাহ্ন  |  ৫২১ বার পঠিত
দীর্ঘ অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

শালিখা(মাগুরা) প্রতিনিধি: মাগুরার শালিখা উপজেলার বিহারি লাল সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিবেকানন্দ শিকদারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন কলেজে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে অধ্যক্ষ বিবেকানন্দ শিকদার কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন। দীর্ঘ এই অনুপস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়লে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর উপাধ্যক্ষ পার্থ কুমার ঘোষকে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, উপাধ্যক্ষ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকলেও অধ্যক্ষের বেতন-ভাতা নিয়মিতভাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এ প্রক্রিয়ায় একটি চক্র জড়িত রয়েছে এবং প্রভাত কুমার বিশ্বাস নামের একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া প্রভাবিত করছেন।

সূত্র জানায়, অধ্যক্ষের বেতন হিসাব নম্বর ২৪২২০০২০৫৭৬৫২, যা আড়পাড়া শাখার সোলালী ব্যাংকে পরিচালিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তার বেতন হিসেবে ৭৪ হাজার ৯৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং উৎসব ভাতা হিসেবে ৩৪ হাজার ২৩০ টাকা জমা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ মার্চ পর্যন্ত তার মোট স্থিতি দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে উপাধ্যক্ষ পার্থ কুমার ঘোষের সঙ্গে ০১৭১৫৬৪৭০৬৯ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি “গোপনীয়” এবং এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। তবে তিনি স্বীকার করেন, অধ্যক্ষ দীর্ঘদিন ধরে কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন।অন্যদিকে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অধ্যক্ষ বিবেকানন্দ শিকদারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক অনুপস্থিতি এবং আর্থিক স্বচ্ছতার ঘাটতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও শিক্ষার মান দু’টোকেই মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪