আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক নৌবহর ইরানের জলসীমার কাছে অবস্থান নেওয়ায় দেশটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে। হুমকির মুখে তেহরান সামরিক মহড়া জোরদার করছে এবং ১,০০০ নতুন কৌশলগত ড্রোন বহরে যুক্ত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুরস্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। দেশটি আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করছে যাতে নতুন সংঘাত এড়ানো যায়।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার চেয়ে আত্মরক্ষাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, তারা প্রয়োজনে ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে সক্ষম।
তবে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। তেহরানের এক ছাত্রী বলেছেন, যুদ্ধ হলে সবচেয়ে বড় মূল্য সাধারণ জনগণকেই দিতে হবে।
বেসামরিক প্রস্তুতিও চলছে। সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোর গভর্নরদের জরুরি খাদ্য ও পণ্য আমদানি করার বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তেহরান শহর ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকে ‘অগ্রাধিকার প্রকল্প’ হিসেবে নিয়েছে, তবে শেষ হতে কয়েক বছর লাগবে।বিশ্লেষকরা মনে করেন, সংঘাত শুরু হলে সাধারণ মানুষের নিরাপদ আশ্রয় সীমিত হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি