| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যা

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬ ইং | ১৯:৪০:০৮:অপরাহ্ন  |  ৫৩৭০৮১ বার পঠিত
নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি একটি শর্ষেখেত থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত কিশোরী সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি এলাকার ভাড়াটিয়া। তার বাবা টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক। ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন তিনি।

পুলিশ, নিহত কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথাবার্তা হতো। ১৫ দিন আগে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে যান নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার বিচারের জন্য মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আহমদুল্লাহর শরণাপন্ন হয় ওই কিশোরীর পরিবার। তবে বিচার পায়নি পরিবারটি। উল্টো তাঁদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল।

অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হন নূরাসহ ওই তরুণেরা। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও ওই কিশোরীর সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সাড়ে ৯টায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিলপাড় ও দড়িকান্দী এলাকার মাঝামাঝি একটি শর্ষেখেতে ওই কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে মাধবদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত কিশোরীর বড় ভাই বলেন, ‘মেম্বার সাহেব বলছিল, মীমাংসা কইরা দিব। এ ছাড়া মীমাংসার পর এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলছিল। আমরা তারে বলছিলাম, ১ তারিখে এলাকা ছেড়ে চলে যাব। গতকাল রাত ৮টার দিকে আব্বা তারে (কিশোরী) নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল। পথে বিলপাড় এলাকা পার হওয়ার সময় তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে নূরাসহ ছয়জন। পরে তারা আমার বোনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সারাটা রাত তারে খুঁজছি। আজ সকালে শর্ষেখেতে তাঁর লাশ পাইলাম। আমরা মামলা করতে থানায় যাব। যারা আমার বোনকে নির্যাতন করে হত্যা করল, আমরা তাদের বিচার চাই।’

ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তরুণেরা গা ঢাকা দিয়েছেন। কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। মুঠোফোন বন্ধ রাখায় অভিযোগের ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

রিপোর্টার্স২৪/সাইফ


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪