রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এসব ঘটনা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী বলেন, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। অনেকেই নিজের হতাশা বা ক্ষোভ প্রকাশের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যকে আঘাত করেন, যা মোটেও কাম্য নয়। তার মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত।
অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এসব ট্রল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য উপেক্ষা করেছেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এর শিকার হচ্ছেন। এমনকি অনেক সময় নারীরাই অন্য নারীদের অসম্মান করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বা ভুয়া ভিডিও তৈরির বিষয়টিও উল্লেখ করেন শ্রাবন্তী। তিনি বলেন, এসব অপপ্রচার ও মানহানিকর কনটেন্টের কারণে তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
তার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা নাম-পরিচয় গোপন রেখে কিংবা প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, শুধু নারীরাই নয়, পুরুষরাও অপমানের শিকার হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা এখন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
তবে এত নেতিবাচকতার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন এই অভিনেত্রী। শ্রাবন্তীর মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও কম নয়। পাশাপাশি বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণে সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকাও প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম