স্পোর্টস ডেস্ক: এই বিশাল অর্জনের আনন্দ নিয়ে ঈদের দিনই থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছে কিশোরী ফুটবলাররা। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে ইতিহাস গড়লেও মাঠের বাইরের সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের প্রতি বাফুফের চরম বৈষম্যের চিত্র আবারও ফুটে উঠেছে।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপগামী অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ দল এবং জাতীয় ফুটবল দলকে রাজধানীর বিলাসবহুল ‘রেনেসাঁ’ হোটেলে রাখা হলেও, এশিয়ান কাপের মতো বড় মঞ্চে খেলতে যাওয়া মেয়েদের ঠিকানা হয়েছে বাফুফে ভবনের সাধারণ ক্যাম্প। সুযোগ-সুবিধার এই আকাশ-পাতাল পার্থক্য নিয়ে আক্ষেপ না থাকলেও আড়াল করেননি দলের প্রধান কোচ পিটার বাটলার।
বাটলার স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘মেয়েরা ইতিহাস গড়েছে। আমার চোখে তারা জাতির চ্যাম্পিয়ন। অনূর্ধ্ব-২০ দল সবার প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যোগ্যতা অর্জন করেছে। আমি জানি আমরা রেনেসাঁ হোটেলে থাকছি না, স্টেক বা দামী খাবার খাচ্ছি না; তবে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। ফলাফল যাই হোক, আমরা আমাদের সেরাটা দেব।’
অবকাঠামোগত ও খাবারের সীমাবদ্ধতা থাকলেও মেয়েদের অদম্য স্পৃহা নিয়ে গর্বিত এই ইংলিশ কোচ। একই সাথে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাঠে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার উৎসবের দিনে দেশ ছাড়ার প্রাক্কালে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন আমরা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছি। আমাদের প্রস্তুতি আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো। অস্ট্রেলিয়া মিশন শেষ করে এবার আমাদের থাইল্যান্ড মিশন শুরু হতে যাচ্ছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সবাইকে ঈদ মোবারক।’
সব সীমাবদ্ধতা আর বৈষম্য পেছনে ফেলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে বদ্ধপরিকর। এবার এশিয়ান কাপের মূল মঞ্চেও বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত আফিদারা।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব