স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) অতীতে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তার চলত, যা এখন সম্পূর্ণভাবে শূন্য করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংসদ হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ক্রীড়ামন্ত্রীর নেতৃত্বে তদন্ত বোর্ড গঠন করেছে, অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশের স্টার ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে নেতৃত্বে দিয়ে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা এখানে কোনো বাপ-মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।
মন্ত্রী জানান, আগে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা জেলা কমিটি ও নিবন্ধিত ক্লাবগুলোতে একতরফাভাবে প্রভাব বিস্তার করতেন। তবে বর্তমান ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি সংসদে আরও বলেন, আগে শুধু মায়ের দোয়া শোনা যেত, আজ বাপের দোয়ার কমিটিও দেখলাম।
ক্রিকেট ইস্যুর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মানবাধিকার বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও তাদের পেটুয়া বাহিনী জুলাই যুদ্ধে হানাদারদের মতো আচরণ করেছে। বীর বিপ্লবীদের সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা দেওয়া আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। তিনি মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠনের ঘোষণা দিয়ে জানান, নতুন শক্তিশালী কমিশনে গুমের বিচার সরাসরি আইসিটি অ্যাক্টের আওতায় হবে এবং সাজা হবে যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড।
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দখলদারিত্বের বিষয়েও কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিগত সময়ে যারা ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে, তাদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়ম দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ প্রভাব ফেলে।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাত ও প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচারে অগ্রসর করা।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি