| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যশোর চৌগাছায় এসিল্যান্ড না থাকায় থমকে আছে ভূমিসংক্রান্ত কাজ

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২২, ২০২৬ ইং | ১৩:১১:৫৫:অপরাহ্ন  |  ৭৯৭ বার পঠিত
যশোর চৌগাছায় এসিল্যান্ড না থাকায় থমকে আছে ভূমিসংক্রান্ত কাজ

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের চৌগাছা উপজেলায় প্রায় দুই মাস ধরে এসিল্যান্ড নেই। দীর্ঘ সময় এসিল্যান্ডের অনুপস্থিতিতে দেখা দিয়েছে দাপ্তরিক জটিলতা। নামপত্তন (মিউটেশন) থেকে শুরু করে আটকে গেছে ভূমিসংক্রান্ত সব কাজ। একই সঙ্গে স্থবির হয়ে পড়েছে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে একদিকে যেমন বেড়েছে জনদুর্ভোগ, তেমনি কমেছে সরকারি রাজস্ব আয়। কবে যোগদান করবেন নতুন এসিল্যান্ড, সেই বিষয়টি জানেন না কেউ।

এসিল্যান্ড না থাকায় চলতি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। উপজেলা প্রশাসনের কাজ শেষ করে এসিল্যান্ডের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে অনেকটাই হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

এসিল্যান্ড অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহানের বদলি হয়। প্রায় দুই মাস পর চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি যোগদান করেন। এরপর ৯ মার্চ ছুটিতে যান। তারপর থেকে অদ্যাবধি কোনো কর্মকর্তা যোগদান না করায় সমস্যা বেড়েই চলেছে।

গত ৪২ দিনে নতুন কোনো এসিল্যান্ড না আসায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ইউএনও হিসেবে অর্পিত গুরুদায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভূমি অফিস ও পৌরসভার দায়িত্ব পালন করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। উপজেলার ১১ ইউনিয়নের ভূমি অফিসের অধীন জনগণ প্রয়োজনীয় কাজ মেটাতে প্রতিদিন উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ১১ নম্বর সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের পুড়াপুড়া গ্রামের শওকত আলীর মেয়ে বিথি খাতুন, নগরবর্ণী গ্রামের ইলাহি বকসের ছেলে আক্তারুজ্জামান ও আব্দুর রশিদের ছেলে মনিরুজ্জামান জানান, তারা প্রত্যেকেই এক-দেড় মাস আগে নামজারির আবেদন করেছেন, কিন্তু কোনো অগ্রগতি হয়নি।

জগদীশপুর গ্রামের মফিজুর রহমান বলেন, “আমি দীর্ঘ এক-দেড় মাস ধরে একটি নামজারি করতে দিয়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত পাইনি। নামজারি না হলে জমি রেজিস্ট্রি করতে পারছি না। এতে আমি খুবই সমস্যায় পড়েছি।”

অপরদিকে চৌগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও দলিল লেখকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, মিউটেশন বন্ধ থাকার কারণে রেজিস্ট্রি কমে গেছে। এতে সরকারি রাজস্ব আদায়ও কমেছে।

চৌগাছা পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু প্রায় দুই মাস ধরে তিনি ছুটিতে থাকায় এবং নতুন কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় পৌরসভার কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, “বর্তমানে চৌগাছায় কোনো এসিল্যান্ড না থাকায় আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ভূমি অফিসের কাজ চললেও একার পক্ষে দুই দপ্তরের দায়িত্ব সামলানো কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “দুটি দপ্তরের পাশাপাশি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪