| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ফল ব্যবসায়ী সমিতির ৫৪ সদস্যের পদত্যাগ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৩, ২০২৬ ইং | ১৯:১৬:২৬:অপরাহ্ন  |  ২৯৭ বার পঠিত
ফল ব্যবসায়ী সমিতির ৫৪ সদস্যের পদত্যাগ

বগুড়া প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে ষ্টেশন রোডে দেশীয় ফল নামান ও বিক্রয় চলছে। আড়ৎদার মালিকরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।  

রবিবার (৩মে) দুপুরে শহরের তিনমাথা রেহেনা ফল মন্ডিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বক্তব্য পাঠ করেন আমদানী রপ্তানী কারক ও দেশী ফল আড়ৎ মালিক সমবায় লি: এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম আরফান। 

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২০ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে ষ্টেশন রোডের ময়লা এবং আবর্জনার কথা উল্লেখ করেন। উচ্ছিষ্ট ময়লা স্থানীয় ফল আড়ৎদারদের। 

ষ্টেশন রোডকে যানজট ও ময়লা আবর্জনা থেকে মুক্ত রাখার লক্ষে আমরা আড়ৎদার মালিক সকলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ১১/০১/২০২৩ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর বগুড়া ফল ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে চিঠি প্রদান করি। 

এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক গত ২৩ মে ২০২৩ ইং তারিখে এক চিঠিতে ডিএসবি বগুড়া কর্তৃক ২৯/০৫/২০২৩ তারিখে বগুড়া শহরে যানজট নিরসন ও আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষে বগুড়া শহরের তিনমাথা সংলগ্ন রেলগেটের দক্ষিণ-পশ্চিম পার্শ্বে রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় শুধুমাত্র দেশীয় ফল-মূল বিক্রয় বিপনন ও গুদামজাত করার অনুমতি দেয়া যেতে পারে। 

৯ই জুলাই ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে উক্ত চিঠি নিয়ে বগুড়া জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। ১৩ই আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে বগুড়া জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুনরায় সিদ্ধান্ত হয় যে, বগুড়া শহরের তীব্র যানজট নিরসনে সাতমাথা ষ্টেশন রোড এ অবস্থিত ফলের পাইকারী বাজার তিন মাথা রেল গেট এ হস্তানান্তরের ব্যবস্থা করতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শহরের যানজট নিরসনে পুলিশ সুপার বগুড়া, মেয়র বগুড়া পৌরসভা ও বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর ততকালীন বগুড়া পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম বাদশা সাতমাথা ষ্টেশন রোডে অবস্থিত পাইকারী ফলের বাজার উচ্ছেদের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট একজন ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে চিঠি প্রদান করেন। 

চিঠি প্রাপ্ত হওয়ার পর জেলা প্রশাসক পাইকারী ফলের বাজার সাতমাথা ষ্টেশন রোড হইতে উচ্ছেদের নিমিত্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট রাকীব হাসান চৌধুরীকে নিয়োগ প্রদান করেন। ততকালীন আওয়ামী দোসরদের কারণে ম্যাজিস্ট্রেট রাকিব হাসান চৌধুরী উচ্ছেদ অভিযানে ব্যর্থ হন। হাসিনার পতনের পর সকল ব্যবসায়ী মিলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে, তিনমাথা রেলগেট সংলগ্ন রেহেনা ফলমন্ডি আড়ৎদারদের অর্থায়নে নির্মিত মার্কেটে চলে আসি এবং সুন্দর সুষ্ঠু পরিবেশে আমরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। 

এ অবস্থায় বগুড়া ফল ব্যবসায়ীর কতিপয় সদস্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে সাতমাথা ষ্টেশন রোডে দেশীয় ফল নামান ও বিক্রয় করে যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ। শহরের যানজট হোক এটা আমরা আড়ৎদারগণ চাই না। আমরা ষ্টেশন রোড হতে পাইকারী ফলের বাজার তিনমাথায় নিয়ে আসার পর বগুড়া শহরের ৩০% যানজট নিরসন হয়েছে বলে মনে করি। গত ০২ মে শনিবার, এক জরুরী সভায় আমরা আড়ৎদাররা একত্রিত হয়ে ৫৪জন সদস্য ফল ব্যবসায়ী সমিতি হতে পদত্যাগের ঘোষণা করছি। 

পদত্যাগকারী হলেন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম আরফান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীন আহামেদ, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজমল হোসেন, সাবেক প্রচার সম্পাদক আইনুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল বারী, সাবেক ক্রিড়া সম্পাদক লাইজু, সাবেক ধর্মিয় সম্পাদক হাফেজ আজমিরসহ ৫৪ জন।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪