| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর পরিকল্পনা

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১১, ২০২৬ ইং | ১৬:৩৪:৩০:অপরাহ্ন  |  ২৮১ বার পঠিত
বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর পরিকল্পনা

রিপোর্টার্স ডেস্ক : দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, মহাসড়ক উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি সমন্বিত যোগাযোগ কাঠামোর মাধ্যমে একটি মাল্টিমোডাল হাব গড়ে তোলার কাজ চলছে। সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে বর্তমানে ৯৪টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেটেড ফিটনেস সার্টিফিকেট ব্যবস্থা চালু এবং পেশাজীবী চালকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড গড়ে তুলতে সম্ভাব্য করিডোরও চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ৬টি মেট্রোরেল লাইনের সমন্বয়ে আধুনিক গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযুক্ত মনোরেলভিত্তিক ফিডার নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে পুরোনো বাসের পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস চালু করা হবে। একই সঙ্গে সড়ক ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪