| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঠাকুরগাঁওয়ে নারীসহ দুই জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৪, ২০২৬ ইং | ১৬:১৪:৩১:অপরাহ্ন  |  ২৬৮১ বার পঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ে নারীসহ দুই জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুটি ঘটনায় এক নারীসহ দুই জনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রুহিয়া ও সদর থানা এলাকায় শনিবার রাত থেকে রোববার ভোরের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। অপরদিকে, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে অভিমান করে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহিয়া থানার ঘনি বিষ্ণুপুর (চেয়ারম্যানপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলীর ছেলে সাজু ইসলাম (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে তার চিকিৎসা চলছিল। শনিবার তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে আনা হয়। রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রোববার ভোর ৪টার দিকে তার স্ত্রী ঘরে স্বামীকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রান্নাঘরের বাঁশের সরার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় সাজুর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নামিয়ে রাখেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা ওমর আলী বাদী হয়ে রুহিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহের কথা জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকায় মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারের ওপর অভিমান করে মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন (৪৫) নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার সুন্দরা বোয়ালমারী গ্রামের আশরাফ আলীর স্ত্রী।

ফরিদা ইয়াসমিন তার মেয়ে, ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আশা মনির মুসলিম নগরের ভাড়া বাসায় নাতিকে দেখাশোনার জন্য অবস্থান করছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। শনিবার রাতে তাকে মোবাইল ফোনে বেশি কথা বলতে নিষেধ করে তার স্বামী ও মেয়ে ফোনটি নিজেদের কাছে রেখে দেন। এতে তিনি অভিমান করেন।

এরপর শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় তিনি পাশের কক্ষে গিয়ে ফ্যানের হুকের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোববার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তার স্বামী ঘুম থেকে উঠে তাকে বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। পাশের কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় মেয়ে আশা মনি বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে।

রিপোর্টার্স২৪/ মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪