| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দ্রুত সময়ে শিশু নন্দিনী হত্যার বিচার হবে : ত্রাণমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৮, ২০২৬ ইং | ২২:৩৩:২০:অপরাহ্ন  |  ৬৫১ বার পঠিত
দ্রুত সময়ে শিশু নন্দিনী হত্যার বিচার হবে : ত্রাণমন্ত্রী

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের আদিতমারীতে হত্যার শিকার সাত বছর বয়সি শিশু নন্দিনীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। এ সময় তিনি নন্দিনী হত্যাকাণ্ডকে নির্মম ও নৃশংস ঘটনা উল্লেখ করে দ্রুত বিচার সম্পন্নের আশ্বাস দেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নে নন্দিনীর বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং সান্ত্বনা দেন।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘নন্দিনীর হত্যা একটি নির্মম, নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। যারা একটি নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করতে পারে, তারা মানুষ নয়, নরপিশাচ। তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারও করেছে অভিযুক্ত। আমরা আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং অপরাধীরা শাস্তির মুখোমুখি হবে।’

এ সময় প্রশাসনের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায়ও মন্তব্য করেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন সেখানে গিয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু ফেরার পথে যারা প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করেছে, তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক—তা চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার অপচেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তারাই এসব ঘটনার পেছনে রয়েছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে দুটি মামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’

উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দিনী। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় বস্তাবন্দি নন্দিনীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত বিধান চন্দ্রের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের আটটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ১৮ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪