| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ২

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৪, ২০২৬ ইং | ১৭:৪৩:২৫:অপরাহ্ন  |  ১৬০০ বার পঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, আহত ২

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় আদালতের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আসামির স্বজন ও সহযোগীদের লাঠির আঘাতে এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবল রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।

এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পূর্ব ফকদনপুর কালিতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এনআই) অ্যাক্টের একটি চেক প্রত্যাখ্যান মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সুমনকে (৪২) গ্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর থানার এএসআই মো. সারোয়ার জাহানের নেতৃত্বে একটি দল কালিতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের ওপর থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করার পরপরই তাঁর স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার আসামি সুমনের নির্দেশে তাঁর মা পারুল বেগম (৫৫), বোন রানী বেগম (২৩), ময়না (২৫) ও ভাই জাহাঙ্গীর আলম (৩২) এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে পুলিশের আইনসম্মত কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে তারা বাঁশের লাঠি দিয়ে পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং সুমনকে পুলিশ হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যরা বেতার যন্ত্রের (ওয়ারলেস) মাধ্যমে থানায় জরুরি বার্তা পাঠান। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। এ সময় নারী কনস্টেবলের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে সুমনের মা পারুল বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূল আসামি সুমন পুলিশের হেফাজতেই থাকেন। তবে তাঁর ভাই-বোনসহ অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যান।

হামলায় আহত এএসআই মো. সারোয়ার জাহান ও কনস্টেবল মো. আব্দুস সালামকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা থানায় ফিরে আসেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই এএসআই সারোয়ার জাহান বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে অবরুদ্ধ করা, হামলা ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪