| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৪, ২০২৬ ইং | ২১:০৪:৩৫:অপরাহ্ন  |  ১৭৬৮ বার পঠিত
খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অস্ত্রধারীদের গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) নিহত হয়েছেন। তিনি কবাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তারাবন্যা গ্রামের বাসিন্দা বিনন্দ মোহন চাকমার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার। এদিকে ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু গ্রুপের জেএসএসকে দায়ী করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জেএসএসের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। বুধবার (২৪ জুন) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, দুপুরে চিনুমং মারমার পরিচালিত সশস্ত্র গ্রুপের কমান্ডার পূর্ণ প্রিয় চাকমার নেতৃত্বে জেএসএস (সন্তু গ্রুপ)-এর ৫ থেকে ৬ সদস্য সাধারণ পোশাকে বাবুছড়া মুড়োপাড়া চৌমুহনী রাস্তার মোড় এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায়।

তিনি দাবি করেন, ওই সময় সাংগঠনিক কাজে অবস্থানরত ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ)-এর সশস্ত্র সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে রামগড় ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী তৈকাথান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরা নিহত হয়েছেন এবং সুনিল ত্রিপুরা নামে আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন।

নিহত ববিন ত্রিপুরা রামগড়ের মাজারা টিলা এলাকার বাসিন্দা। আহত সুনিল ত্রিপুরা রামগড়ের দাতারামপাড়ার কমল বিকাশ ত্রিপুরার ছেলে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

তবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও পূর্বপরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছে ইউপিডিএফ। সংগঠনটির দাবি, পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।

দীঘিনালার হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে অংগ্য মারমা অভিযোগ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফের নেতৃত্বে চলমান গণআন্দোলন দমনে সন্তু লারমার যোগসাজশে ইউপিডিএফের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দমন-পীড়ন ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ইউপিডিএফকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে সুজন চাকমা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি এবং সন্তু লারমাকে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪