| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বৃক্ষমেলায় ১৫ দিনে সাড়ে ৬ কোটি টাকার চারা বিক্রি

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৭, ২০২৬ ইং | ১৩:২২:১৯:অপরাহ্ন  |  ১০৫৩ বার পঠিত
বৃক্ষমেলায় ১৫ দিনে সাড়ে ৬ কোটি টাকার চারা বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন মাঠে জমে উঠেছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৬। দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছের সমাহার, সবুজ পরিবেশ ও বিনোদনের আবহে প্রতিদিনই মেলায় ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এবার মেলায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেখা দিয়েছে ইনডোর প্ল্যান্ট ও ছাদবাগানের গাছের।

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে গত ৯ জুলাই শুরু হওয়া এ মেলা চলবে আগামী ৭ আগস্ট পর্যন্ত। দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় প্রবেশ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত; কোনো টিকিটের প্রয়োজন নেই।

বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মেলা শুরুর পর ৯ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনে ৮ লাখ ১২ হাজার ৮০২টি বিভিন্ন জাতের চারা বিক্রি হয়েছে। এসব চারার মোট বিক্রয়মূল্য ৬ কোটি ৭৩ লাখ ২৯ হাজার ২৩৬ টাকা। আয়োজকদের হিসাবে, গত বছরের পুরো মেলায় ১৭ লাখ ৬৬ হাজার ৪৯১টি চারা বিক্রি হয়েছিল, যার মূল্য ছিল ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ২৭৪ টাকা।

মেলায় বনজ, ফলদ, ভেষজ ও শোভাবর্ধনকারীসহ নানা ধরনের চারা পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে ঘর সাজানোর ইনডোর প্ল্যান্ট এবং ছাদবাগানের জন্য ফলদ গাছের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অর্কিড ও ক্যাকটাসের দাম তুলনামূলক বেশি হলেও বিভিন্ন জাতের আমগাছের চারা পাওয়া যাচ্ছে কম দামে।

এবারের মেলায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে বিদেশি জাতের রাম্বুটান, পারসিমন, আজওয়া খেজুর ও পাকিস্তানি আনারের চারা। পাশাপাশি বিভিন্ন জনপ্রিয় জাতের আমগাছের চারাও রয়েছে। ছোট আকারের এসব বিদেশি ও বিশেষ জাতের চারার দাম ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মেলায় আসা দর্শনার্থী আশেক শুভ বলেন, প্রতিবছরই তিনি বৃক্ষমেলায় আসেন। এক জায়গায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পাওয়ায় নতুন জাতের ফলদ গাছ দেখা ও চারা কেনার সুযোগ কাজে লাগাতে মেলায় এসেছেন।

আরেক দর্শনার্থী সাবরিন সুলতানা বলেন, গাছের প্রতি তার আগ্রহ থেকেই প্রতিবছর মেলায় আসার চেষ্টা করেন। এবারও বিভিন্ন ধরনের গাছ দেখে ভালো লেগেছে বলে জানান তিনি।

বন অধিদপ্তরের সোসিওলজিস্ট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় গাছ লাগানোর জায়গা কমে এলেও মানুষের আগ্রহ কমেনি। অনেকে ছাদবাগানের জন্য গাছ কিনছেন, আবার অনেকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে চারা রোপণ করছেন। প্রতিদিনের বিক্রির পরিসংখ্যান মানুষের এই আগ্রহেরই প্রমাণ।

তিনি জানান, মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ও নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মা ও শিশু কর্নার, ব্রেস্টফিডিং কর্নার, চিকিৎসাসেবা, মিডিয়া কর্নার এবং জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষ রাখা হয়েছে।

আয়োজকদের আশা, মেলার বাকি সময়ে চারা বিক্রি আরও বাড়বে। নগরবাসীর মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও ছাদবাগানের আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সঙ্গে মানুষের পরিচিতি তৈরিতেও এবারের বৃক্ষমেলা ভূমিকা রাখবে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪