| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রংপুরে ৪ খুন

জবানবন্দিতে উঠে এল নতুন তথ্য, দুই আসামির ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট হবে

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২৭, ২০২৬ ইং | ১৩:৫০:০২:অপরাহ্ন  |  ৫৪৪ বার পঠিত
জবানবন্দিতে উঠে এল নতুন তথ্য, দুই আসামির ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট হবে

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তাতে উঠে এসেছে ইয়াবা সেবন, ছাদে অবস্থান, হত্যার পরিকল্পনা এবং পরে ঘটনাটিকে চুরি-ডাকাতির মতো দেখানোর চেষ্টা করার তথ্য।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে এখন গ্রেপ্তার দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি এবং সাক্ষীদের বক্তব্যসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

তিনি জানান, একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি তাদের ডোপ টেস্টও করা হবে। হত্যাকাণ্ডের সময় তারা মাদক গ্রহণ করেছিলেন কি না এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই করতেই এসব পরীক্ষা করা হচ্ছে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তে মা ও মেয়ের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধ বা গলায় ফাঁস দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। সংবাদ সম্মেলনে আসামি ও সাক্ষীদের আদালতে দেওয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দির বিভিন্ন তথ্যও তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সিদ্ধার্থ দাস জানান, তিনি একটি স্বর্ণের দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। অন্যদিকে মামলার আরেক আসামি মুগ্ধ দাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাক্ষী সীমান্ত দাস একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করেন।

গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির সঙ্গে সিদ্ধার্থদের বাড়ি ছিল লাগোয়া। যে জমির ওপর গণপতি চক্রবর্তী বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন, সেটি আগে সিদ্ধার্থদের পূর্বপুরুষদের জমি ছিল। পরে গণপতি চক্রবর্তী সেই জমি কিনে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেন।

সিদ্ধার্থের জবানবন্দিতে নিজের মাদক গ্রহণের বিষয়টিও উঠে এসেছে। তিনি জানিয়েছেন, আগে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন উৎসবের সময় ইয়াবা সেবন করতেন। তবে ঘটনার আগের প্রায় এক মাস ধরে প্রতি বৃহস্পতিবার একটি করে ইয়াবা সেবনের অভ্যাস তৈরি হয়েছিল।

সিদ্ধার্থের বড় ভাইয়ের সম্প্রতি বিয়ে হয়। এরপর বিভিন্ন কারণে প্রায় ছয়-সাত মাস ধরে তিনি বিজয় কাকুর বাসায় ঘুমাতেন এবং সেখানেই খাওয়া-দাওয়া করতেন। তবে ঘটনার আগের এক মাস তিনি প্রতি বৃহস্পতিবার সাক্ষী সীমান্তের বাসায় থাকতেন। সীমান্ত মাদক গ্রহণ করেন না এবং হত্যাকাণ্ডের বিষয়েও তিনি কিছু জানতেন না বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সিদ্ধার্থের দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর তিনি ইয়াবা নিয়ে মুগ্ধকে সঙ্গে করে সীমান্তদের বাসায় যান। সেখানে দুজন মিলে তিনটি ইয়াবা সেবন করেন। রাত ৩টার দিকে আবার ইয়াবা সেবনের ইচ্ছা হলে তারা শান্ত নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। পরে শান্তর বাড়ির সামনে থেকে আরও চারটি ইয়াবা সংগ্রহ করেন তারা। ইয়াবা নেওয়ার সময় মোবাইল ফোন বন্ধক রাখা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর তারা আবার সীমান্তদের বাসায় ফিরে যান। রাত ৩টার পর সেখান থেকে বের হয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দেখতে পান। এ কারণে মূল গেট দিয়ে না গিয়ে দেয়াল টপকে দেবু নামে এক ব্যক্তির বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন তারা।

পুলিশ জানায়, দেবুদের বাড়ির ছাদে কোনো রেলিং ছিল না। ওই ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদের দূরত্ব ছিল আনুমানিক দুই থেকে আড়াই ফুট। ফলে দুইজন সহজেই এক ছাদ থেকে অন্য ছাদে চলে যেতে পারেন। গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদের চারপাশে হাফওয়াল থাকায় বাইরে থেকে ছাদটি সহজে দেখা যেত না। দুই আসামি পানির ট্যাংকির আড়ালে বসে ইয়াবা সেবন করতে শুরু করেন।

জবানবন্দি অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনের সময় তারা খেয়ালই করেননি কখন ভোর হয়ে গেছে। সিদ্ধার্থের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই রাতে তারা মোট আটটি ইয়াবা সেবন করেন। অন্যদিকে মুগ্ধের জবানবন্দিতে নয়টি ইয়াবা সেবনের কথা এসেছে। পুলিশের ধারণা, আটটি ইয়াবার পর আরও একটি ইয়াবা সেবনের হিসাব থেকে এই পার্থক্য হয়ে থাকতে পারে।

ভোরে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে হাঁটতে গেলে সেখানে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে দেখতে পান। তিনি তাদের ধমক দিয়ে জানতে চান, এত সকালে তারা সেখানে কী করছেন।

জবানবন্দি অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখে ফেলায় দুই আসামি ভয় পেয়ে যান। তাদের আশঙ্কা ছিল, তিনি চিৎকার করে আশপাশের মানুষকে বিষয়টি জানিয়ে দেবেন। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে গণপতি চক্রবর্তীর তর্কাতর্কিও হয়।

সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ গণপতি চক্রবর্তীর গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে দুই দিক থেকে টান দেন। একপর্যায়ে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। পরবর্তী সময়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাসরোধজনিত মৃত্যুর তথ্য উঠে আসে। আসামিদের দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে ময়নাতদন্তের এই তথ্যের মিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ টিন দিয়ে ঢেকে রাখার সময় সম্ভবত শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ছাদে চলে আসেন। তারা সেখানে গিয়ে চিৎকার শুরু করেন।

জবানবন্দি অনুযায়ী, তখন মুগ্ধ প্রীতিলতা চক্রবর্তীর গলা চেপে ধরেন এবং সিদ্ধার্থ আগামী চক্রবর্তীর গলা চেপে ধরেন। পরবর্তীতে গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রীর গলায় থাকা গামছা ব্যবহার করে মেয়ের গলায় প্যাঁচ দেওয়া হয়। পরে পাশের কবুতরের খাবার রাখার বাক্স থেকে রশি নিয়ে মেয়েটির গলায় পেঁচিয়ে দুই দিক থেকে টান দেওয়া হয়। এভাবে মা ও মেয়েকেও হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। মা ও মেয়েকে হত্যার পর দুই আসামি বাড়িতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর তারা নিচতলায় যান।

সেখানে একটি পুরোনো প্লাস পাওয়ার পর সেটি দিয়ে বিদ্যুতের তার কেটে দেন তারা। তাদের ধারণা ছিল, বাড়িতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে সেটি অকার্যকর হয়ে যাবে।

এরপর আবার ছাদে ফিরে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ ছাদের গেটের ভেতরে সিঁড়ির দিকে রেখে দেন। দেবুদের বাড়ির ছাদ থেকে যাতে মরদেহ দেখা না যায়, সে জন্যই মরদেহগুলো ওই জায়গায় রাখা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর দুই আসামি গণপতি চক্রবর্তীর ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, পরিবারের ছোট শিশুটি ঘুম থেকে উঠে গেছে।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, শিশুটি সিদ্ধার্থকে চিনতে পেরেছিল। জবানবন্দি অনুযায়ী, শিশুটি সিদ্ধার্থকে দেখে বলে, ‘সিদ্ধার্থ দাদা, তুমি এখানে কেন?’

এর আগে পুলিশ শিশুটি ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল বলে যে তথ্য পেয়েছিল, সেটিই তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে জানানো হয়েছিল। তবে আসামিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শিশুটি ঘুম থেকে উঠে সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলেছিল বলে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।

শিশুটি চিৎকার করে অন্যদের জানিয়ে দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তাকেও হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে এসেছে। কাপড় দিয়ে শিশুটির গলায় প্যাঁচ দিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরিবারের চারজনকে হত্যার পর দুই আসামি অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন। এরপর তারা গোসল করেন। গোসলের পর তাদের কাছে থাকা আরেকটি ইয়াবা সেবন করেন।

পরে মুগ্ধের মাথায় বাড়িটিকে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখানোর পরিকল্পনা আসে। এরপর তারা ঘরের ড্রয়ার খুলে জিনিসপত্র এলোমেলো করতে শুরু করেন।

মুগ্ধ বিভিন্ন অলংকার এনে দেন এবং সিদ্ধার্থ সেগুলো প্লাস্টিকের বাক্স ও কাপড়ের প্যাকেটে রাখেন। বাড়ি থেকে তারা ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যান।

জবানবন্দি অনুযায়ী, জুমার নামাজের সময় বাইরে মানুষের চলাচল কমে গেলে তারা গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ থেকে দেবুদের বাড়ির ছাদে যান। এরপর দেয়াল টপকে বাইরে বেরিয়ে যান।

মুগ্ধ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে চলে যান। অন্যদিকে স্বর্ণালংকারের ব্যাগ নিয়ে সিদ্ধার্থ একটি গলিতে যান। পরে কাউকে বুঝতে না দিয়ে পূর্ণিমা কাকির বাড়ির পেছনে মাটির নিচে স্বর্ণালংকারগুলো লুকিয়ে রাখেন। পুলিশ কমিশনার জানান, বিজয় কাকা ও পূর্ণিমা কাকি এসব বিষয়ে কিছুই জানতেন না।

এরপর সিদ্ধার্থ বাড়িতে ফিরে আবার গোসল করেন। পরে মুগ্ধের কাছে গিয়ে নিজের ভাগের ৩ হাজার ৫০০ টাকা নেন। ওই টাকা দিয়ে শান্তর কাছে বন্ধক রাখা মোবাইল ফোনটি ছাড়িয়ে নেন। এদিকে ইয়াবা সরবরাহকারী শান্তকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের পর সিদ্ধার্থ বাড়িতে ফিরে স্বাভাবিক আচরণ করার চেষ্টা করেন। পরদিন তিনি নিয়মিতভাবে স্বর্ণের দোকানে কাজে যান। অন্যদিকে মুগ্ধ বাড়িতেই অবস্থান করেন। পরে পুলিশ মুগ্ধকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, মুগ্ধ দাসের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ঘটনার প্রায় একই ধরনের বর্ণনা পাওয়া গেছে।

মুগ্ধের বক্তব্য অনুযায়ী, ২১ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে ইয়াবা সেবনের জন্য তারা দেবুদের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। দেবুদের বাড়ির নিচতলার নির্মাণকাজ তখনও শেষ হয়নি। সিঁড়িতে কোনো দরজা ছিল না এবং ছাদও ছিল খোলা। ফলে সেখানে সহজেই যাতায়াত করা সম্ভব ছিল।

মুগ্ধ জানান, সিদ্ধার্থের পরামর্শেই তারা গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সিদ্ধার্থ তাকে জানিয়েছিলেন, এর আগেও তিনি ওই ছাদে এক-দুই দিন ইয়াবা সেবন করেছেন।

গণপতি চক্রবর্তীর ছাদে পানির ট্যাংকির আড়ালে বসে ইয়াবা সেবনের পর ভোরের আলো ফুটে ওঠে। তখন গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখে ফেলেন। এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে দুই আসামির জবানবন্দিতে উঠে এসেছে।

তদন্তে ওই সময়কার চিৎকারের বিষয়ে একজন স্থানীয় নারী সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ওই নারী ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার পর তার স্বামী তাকে মারধর করেছেন বলেও জানা গেছে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, এ ধরনের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কোনো ঘটনা দেখে থাকলে কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত।

এদিকে দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের পাশাপাশি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য আলামত যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। এসব তথ্য-প্রমাণের পারস্পরিক মিল ও অমিল যাচাইয়ের মাধ্যমে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪